📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিকৃবিতে ছাত্রলীগ কর্মী আখ্যা দিয়ে ছাত্রদল কর্মীরা মারধর করে দু’জন শিক্ষার্থীকে আহত

সিকৃবিতে ছাত্রলীগ কর্মী আখ্যা দিয়ে ছাত্রদল কর্মীরা মারধর করে দু’জন শিক্ষার্থীকে আহত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) বায়োটেকনোলজি বিভাগের ছাত্র সমিতির নির্বাচনে ছাত্রলীগ কর্মী আখ্যা দিয়ে দু’জন শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র সমিতির নির্বাচন ঘিরে দু’জন শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিকৃবির বায়োটেকনোলজি বিভাগের নির্বাচনে ছাত্রলীগ কর্মী আখ্যা দিয়ে দু’জন শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়
  • 📌 আহতদের মধ্যে একজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে
  • 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রাজেশ বাছাড় ছাত্রদলের সদস্য এবং সাহসসহ অন্যরা ছাত্রদলের কর্মী
  • 📌 অভিযোগে সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে প্রশাসন টালবাহানা করছে

📰 বিস্তারিত

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন হলেন বায়োটেকনোলজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের মো. আবদুর রহমান রাঈদ এবং অন্যজন সাফকাত তাহসিন। অভিযোগে বলা হয়, রাজেশ বাছাড় ও সাহসসহ ছাত্রদলের কর্মীরা সাফকাত তাহসিনকে ছাত্রলীগ কর্মী আখ্যা দিয়ে মারধর করে। পরে আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আবদুর রহমান রাঈদকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সাফকাত তাহসিন বলেন, ‘ছাত্র সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কারণে তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। তারা বলেছিল, শুধু ছাত্রদলের হয়ে কাজ করতে হবে। আমরা সম্মতি না জানালে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। আমাদের পথরোধ করে কথা-কাটাকাটি করার পর আমাদের ওপর হামলা করে। বারবার বললেও তারা আমার কলার ধরে আক্রমণ করে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘দিনদুপুরে ঘটনাটি সবার সামনে ঘটলেও প্রশাসন বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে না। তখন বিদ্যুৎ ছিল না বলে টালবাহানা শুরু হয়েছে।’

অভিযুক্ত রাজেশ বাছাড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সানাউল হোসেন বলেন, ‘আমি ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে আছি। বিভাগের দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর মারামারি হয়েছে। একপক্ষ ছাত্রদলের নেতা-কর্মী, আর অপরপক্ষ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও গুপ্ত সংগঠন। দুই পক্ষই মারামারি করেছে। এখন রাজনীতি করা হচ্ছে। আমাদের পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তখন বলা হতো দুই পক্ষের সংঘর্ষ। মূলত এটি বিভাগের মধ্যে হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এ টি এম মাহবুব-ই-ইলাহী বলেন, ‘ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে ডিনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে ছাত্র পরামর্শক, প্রক্টর ও প্রক্টরিয়াল বোর্ডের সদস্য, আইন উপদেষ্টা এবং নির্বাচন কমিশনের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে সুপারিশ দেবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না এবং কে অপরাধী, কে নয়—তা নিরপেক্ষভাবে শনাক্ত করা হবে।’

"আমরা সম্মতি না জানালে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। আমাদের পথরোধ করে কথা-কাটাকাটি করার পর আমাদের ওপর হামলা করে। বারবার বললেও তারা আমার কলার ধরে আক্রমণ করে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি), টিএসসি এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুর রহমান রাঈদ, সাফকাত তাহসিন, রাজেশ বাছাড়, সাহস, সানাউল হোসেন, এ টি এম মাহবুব-ই-ইলাহী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (আহত শিক্ষার্থী), ৭ (তদন্ত কমিটির সদস্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖