📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের অর্থ উত্তোলন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে অসম্পূর্ণ তথ্যনির্ভর দাবি করেছেন রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। তিনি জানান, হিসাব চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করা উচিত নয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) থেকে এক কোটি নয় লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। তিনি জানান, রাকসুর আর্থিক হিসাব এখনো চূড়ান্তভাবে বন্ধ হয়নি এবং অডিট সম্পন্ন হওয়ার আগেই বিচ্ছিন্ন তথ্য প্রকাশ করে ছাত্রসংসদকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে অসম্পূর্ণ তথ্যনির্ভর দাবি করেছেন
- 📌 প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, রাকসু ফান্ড থেকে এক কোটি নয় লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে
- 📌 ভাউচার জমা না দেওয়ার অভিযোগকে অসত্য দাবি করে ভিপি বলেন, ‘১ কোটি নয় লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য অসত্য’
- 📌 রাকসু ভিপি জানান, অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে সভাপতি, কোষাধ্যক্ষসহ কয়েক ধাপে স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়
- 📌 তিনি আরও বলেন, হিসাব চূড়ান্ত হওয়ার আগেই বিচ্ছিন্ন তথ্য প্রকাশ করে রাকসুকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) থেকে এক কোটি নয় লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে অসম্পূর্ণ তথ্যনির্ভর দাবি করেছেন রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। সম্প্রতি ‘রাকসুর সোয়া কোটি টাকা এবং আম্মারের ভাউচার সংকট’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, রাকসু ফান্ড থেকে এক কোটি নয় লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ টাকার ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর রাকসু ভিপি, জিএসসহ অন্যান্য সম্পাদকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। তিনি লেখেন, ‘প্রত্যেক ছাত্রসংসদের শেষ দিকে এসে তাদেরকে ব্যর্থ ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়।’ ভিপি আরও জানান, তাঁরা সকল হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রস্তুত রেখেছেন এবং অসম্পূর্ণ তথ্য নিয়ে প্রচার প্রফেশনালিজমের পরিপন্থী।
অর্থ উত্তোলনের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে ভিপি বলেন, ‘সকল টাকা তোলার ক্ষেত্রে রাকসু সভাপতি, কোষাধ্যক্ষসহ কয়েক ধাপে স্বাক্ষর নিয়ে তারপর তুলতে হয়। আমরা যদি এমন কোনো বিষয়ে টাকা খরচ করতাম যেটা আমাদের এখতিয়ার নেই, তাহলে কোনো না কোনো ধাপে বাধার শিকার হতাম।’ তিনি আরও জানান, হিসাব চূড়ান্ত হওয়ার আগেই বিচ্ছিন্ন তথ্য প্রকাশ করে রাকসুকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে।
‘প্রত্যেক ছাত্রসংসদের শেষ দিকে এসে তাদেরকে ব্যর্থ ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়। যাই হোক, আমরাও জানতাম আমাদের স্ট্রং পয়েন্ট অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নিয়ে তারা এই নোংরামিটা করবে। এজন্য আমরা সকল হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খ রেডি রেখেছি। অসম্পূর্ণ তথ্য নিয়ে এসব প্রচার প্রফেশনালিজমের পরিপন্থী।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তাকুর রহমান জাহিদ (রাকসু ভিপি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক কোটি নয় লাখ টাকা, ৬১ লাখ টাকা, ৪২টি কর্মসূচি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!