📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের সময় সাংবাদিক আতিকুর রহমান মারধর ও হেনস্তার শিকার হন। তাঁর মুঠোফোন থেকে ভিডিও মুছে দেওয়া হয়। প্রক্টর দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সাংবাদিক আতিকুর রহমান মারধর ও হেনস্তার শিকার হন। ঘটনার সময় তিনি তাঁর পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, তাঁর মুঠোফোন থেকে ভিডিও মুছে দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের সময় সাংবাদিক মারধরের শিকার হন
- 📌 আতিকুর রহমান নামের সাংবাদিক তাঁর মুঠোফোন থেকে ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন
- 📌 ঘটনার পর প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে গত বুধবার ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় সাংবাদিক আতিকুর রহমান তাঁর পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী সদস্য এবং বাংলা ট্রিবিউনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
আতিকুর রহমান অভিযোগ করেন, রাত ১০টার দিকে রবীন্দ্র ভবনের দিকে যাওয়া মিছিলের সামনে থেকে তিনি ভিডিও ধারণ করছিলেন। কিছুক্ষণ পর ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁরা তাঁর বিভাগ ও ভিডিও ধারণের কারণ জানতে চান। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁকে ভিডিও মুছে ফেলতে বলা হয়। চাপের মুখে তিনি ভিডিওটি মুছে দেন।
ভিডিও মুছে ফেলার পরও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে মারধর করেন। তাঁরা তাঁর কাছ থেকে মুঠোফোন নিয়ে ফোনে থাকা অন্যান্য ভিডিওও মুছে দেন। আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
"সাংবাদিক হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ঘটনা ও ভিডিও ধারণ করা আমার পেশাগত দায়িত্বের অংশ। দায়িত্ব পালনের সময় এ ধরনের হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।"
আতিকুর রহমান ঘটনার পর প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। প্রক্টরের পক্ষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।
গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতিমধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে তিন দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। তদন্তে প্রতিটি ঘটনার পুখানুপুঙ্খ যাচাই শেষে যারা দোষী সাব্যস্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আতিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!