📌 শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রকৌশল সম্মেলনে বাংলাদেশি তরুণ প্রকৌশলী ফেলো হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ও যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনা খরচে এই সুযোগ পান তিনি।
কলম্বোর পাঁচ তারকা হোটেল হিল্টনের বিশাল বলরুমে বিশ্বের শীর্ষ প্রকৌশলী ও পরিবেশবিজ্ঞানীদের সমাবেশ ঘটেছিল। চারপাশে চলছিল টেকসই নগরায়ণের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা। এমন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পুরকৌশল বিভাগের একজন তরুণ প্রতিনিধি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব প্রকৌশল সম্মেলন ডব্লিউসিএস ২০২৬ ও এসিইপিএস ২০২৬
- 📌 বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পুরকৌশল বিভাগের তরুণ প্রকৌশলী
- 📌 সম্মেলনে অংশগ্রহণের সম্পূর্ণ খরচ বহন করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়
- 📌 চার আন্তর্জাতিক ফেলোর একজন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী
- 📌 ২৩ দিনব্যাপী সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিটি টেকনিক্যাল সেশনের বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন তৈরি করেন
📰 বিস্তারিত
শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর পাঁচ তারকা হোটেল হিল্টনে আয়োজিত হয় আন্তর্জাতিক প্রকৌশল সম্মেলন ডব্লিউসিএস ২০২৬ ও এসিইপিএস ২০২৬। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ছয় থেকে সাত শতাধিক গবেষক, বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীর পদচারণায় মুখর ছিল পুরো প্রাঙ্গণ। সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল তরুণ গবেষকদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে যুক্ত করা।
বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পুরকৌশল বিভাগের তরুণ প্রকৌশলী। পুরকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান এস এম সাজ্জাদ আহমেদ শোভন তাঁকে সুপারিশ করেন সম্মেলনের কো-চেয়ার প্রফেসর ড. অনুরাধা ওয়াইদ্যাসেকারা ও প্রফেসর টি এন বিক্রমায়ারাচ্চির কাছে। পরবর্তীকালে বিভাগীয় সমন্বয়ক ওমর ফারুক এবং আইকিউএসির পরিচালক সিরাজুল ইসলামের মাধ্যমে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নজরে আসে। তিনি পূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেন।
সম্মেলনের মূল কার্যক্রমে চার আন্তর্জাতিক ফেলোর একজন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী। চীন, জাপান, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশ থেকে আসা চার তরুণের ওপর পড়ে বিশাল দায়িত্ব। ছয় থেকে সাতটি রুমে একসঙ্গে চলছিল সমান্তরাল টেকনিক্যাল সেশন। তাঁদের কাজ ছিল প্রতিটি প্রেজেন্টেশন পর্যবেক্ষণ করে বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন তৈরি করা।
সম্মেলনের ব্যস্ততার মধ্যেই শ্রীলঙ্কান সংস্কৃতির উষ্ণ আতিথেয়তা পুরো অভিজ্ঞতাকে পরিণত করেছিল এক প্রাণবন্ত উৎসবে। প্রতি ৪০ মিনিট পরপর সুগন্ধি চা-কফির ধোঁয়া আর স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী স্বাদের বুফে পুরো আয়োজনকে করে তুলেছিল আরও মনোরম।
"আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্বের শীর্ষ প্রকৌশলীদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়। যোগ্যতাই ছিল আমার পাসপোর্ট।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশি তরুণ প্রকৌশলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ দিন, ৪০ মিনিট, ২২ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!