📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে অনিয়মিতভাবে সোয়া কোটি টাকা উত্তোলনের অভিযোগ তুলেছে ছাত্রদল। তারা দাবি জানিয়েছে, উত্তোলিত অর্থের যথাযথ হিসাব ও ভাউচার না দেখিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যয় করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) থেকে অনিয়মিতভাবে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলীমের কাছে তারা সাত দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাকসুর তহবিল থেকে ৪২টি কর্মসূচির জন্য মোট ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল
- 📌 এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিপরীতে কোনো বিল বা ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি
- 📌 ছাত্রদলের অভিযোগ, উত্তোলিত অর্থের বড় অংশ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যয় না করে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে
- 📌 ছাত্রদলের দাবির মধ্যে রয়েছে পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ, স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ
- 📌 রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান ও জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে অনিয়মিতভাবে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ তুলেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। তারা অভিযোগ করেছে, রাকসুর তহবিল থেকে ৪২টি কর্মসূচির জন্য মোট ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিপরীতে কোনো বিল বা ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি।
ছাত্রদলের নেতারা জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজেদের ইচ্ছেমতো অর্থ উত্তোলন করেছেন এবং উত্তোলিত অর্থের একটি বড় অংশ সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যয় না করে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করে বলেন, ‘এই অর্থ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যয় না করে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহার করা হয়েছে।’
ছাত্রদলের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, উত্তোলিত প্রায় সোয়া কোটি টাকার পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করা, খাত উল্লেখ ও যথাযথ বিল-ভাউচার ছাড়া উত্তোলিত অর্থের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লিখিত জবাবদিহির আওতায় আনা, রাকসুর তহবিলের সংশ্লিষ্ট আর্থিক কাগজপত্রের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা এবং প্রয়োজনে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা।
অধ্যাপক আব্দুল আলীম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে ছাত্রদল রাকসুর আর্থিক বিষয় নিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে। তিনি জানান, উপাচার্য রাজশাহীতে ফিরলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং অর্থ ব্যয়ে কোনো অনিয়ম হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জনগণের করের টাকায় পরিচালিত হয়। এখানে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাজনীতি করে এবং তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করে। শিক্ষার্থীদের কষ্টার্জিত টাকা থেকে রাকসুর প্রতিনিধিরা সোয়া কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। তবে তাঁরা টাকা উত্তোলনের যথাযথ প্রক্রিয়া মানেননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আব্দুল আলীম, সুলতান আহমেদ রাহী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২, ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা, ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!