📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় বছরে ১৬ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য সংকটে উদ্বেগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় বছরে ১৬ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা: মানসিক স্বাস্থ্য সংকটে উদ্বেগ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ছয় বছরে অন্তত ১৬ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ ঘটনা ঘটেছে আবাসিক হলের বাইরে বিভিন্ন মেস ও ভাড়া বাসায়। সর্বশেষ জুন মাসে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স বিভাগের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে ক্যাম্পাসে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে অন্তত ১৬ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ ঘটনা ঘটেছে আবাসিক হলের বাইরে বিভিন্ন মেস, ছাত্রাবাস ও ভাড়া বাসায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ছয় বছরে ১৬ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে
  • 📌 অধিকাংশ ঘটনা ঘটেছে আবাসিক হলের বাইরে বিভিন্ন মেস ও ভাড়া বাসায়
  • 📌 সর্বশেষ জুন মাসে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান আত্মহত্যা করেন
  • 📌 সম্প্রতি গণিত বিভাগের এক শিক্ষার্থী প্রকাশ্যে বিষাক্ত পদার্থ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন
  • 📌 ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও জনসংযোগ দফতরের তথ্য এবং বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ছয় বছরে অন্তত ১৬ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এসব ঘটনার অধিকাংশই ঘটেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের বাইরে বিভিন্ন মেস, ছাত্রাবাস ও ভাড়া বাসায়। সর্বশেষ গত ১০ জুন ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান আত্মহত্যা করেন।

এছাড়া সম্প্রতি গণিত বিভাগের এক শিক্ষার্থী প্রকাশ্যে বিষাক্ত পদার্থ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মহত্যা প্রতিরোধ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফিরোজ কবীরের মরদেহ ক্যাম্পাসসংলগ্ন আমজাদের মোড় এলাকার একটি মেস থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর পটুয়াখালীতে নিজ বাড়িতে মারা যান নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী দেবজ্যোতি বসাক পার্থ।

২০২১ সালের ৩০ জানুয়ারি নগরীর মির্জাপুর এলাকার একটি আবাসিক ছাত্রী হোস্টেল থেকে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মোবাসসিরা তাহসিন ইরার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি সামনে এসেছিল বলে সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল। একই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরুল কায়েস নিজ বাড়িতে আত্মহননের পথ বেছে নেন।

২০২২ সালে একাধিক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। ওই বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ইশতিয়াক মাহমুদ পাঠান নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন। ৯ এপ্রিল প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সোহাগ খন্দকার নীলফামারীর সৈয়দপুরে নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করেন। একই বছরের ১৩ মে ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া তাবাসসুম নিজ ঘরে আত্মহনন করেন। মৃত্যুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হতাশা ও বিষণ্নতার কথা লিখেছিলেন তিনি।

"বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের বাইরে বিভিন্ন মেস ও ভাড়া বাসায় অধিকাংশ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমাদের আরও সচেতন হতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও সংলগ্ন এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহফুজুর রহমান, মোবাসসিরা তাহসিন ইরার, ইমরুল কায়েস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ বছর, ১৬ শিক্ষার্থী, ১০ জুন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖