📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রাথমিক শিক্ষায় খেলাধুলা ও আনন্দভিত্তিক শিক্ষা প্রবর্তনের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর

প্রাথমিক শিক্ষায় খেলাধুলা ও আনন্দভিত্তিক শিক্ষা প্রবর্তনের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রাথমিক শিক্ষায় মুখস্থনির্ভরতা পরিহার করে খেলাধুলা ও আনন্দভিত্তিক শিক্ষা প্রবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানান, স্থানীয় ৪১২টি খেলাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং আরও ৭০০টির নিয়মবদ্ধকরণের কাজ চলছে

ঢাকা, ১৮ আগস্ট ২০২৬: প্রাথমিক শিক্ষায় মুখস্থনির্ভরতার পরিবর্তে খেলাধুলা ও আনন্দভিত্তিক শিক্ষা প্রবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, খেলার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশ সম্ভব।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রাথমিক শিক্ষায় মুখস্থনির্ভরতা পরিহার করে খেলাধুলা ও আনন্দভিত্তিক শিক্ষা প্রবর্তনের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের
  • 📌 জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির আয়োজনে ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন তিনি
  • 📌 স্থানীয় ৪১২টি খেলাকে বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং আরও ৭০০টির নিয়মবদ্ধকরণের কাজ চলমান
  • 📌 চীন ও জাপানের মতো দেশের অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে বাংলাদেশেও একই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা

📰 বিস্তারিত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, মুখস্থনির্ভর শিক্ষা শিশুদের মধ্যে সৃজনশীলতা ও চিন্তাশক্তির বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিশুদের শুধু মুখস্থ করানোর মাধ্যমে কার্যকর ও টেকসই শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আনন্দময় পরিবেশে খেলাধুলা ও বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শেখার সুযোগ তৈরি করা হলে শিশুদের শেখার সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পায়।’ তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের অবকাঠামোকে শিশুবান্ধব ও খেলাভিত্তিক শিক্ষার উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ববি হাজ্জাজ জানান, নেপ ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানীয় পর্যায়ের খেলাধুলা নিয়ে গবেষণা করেছে। ইতোমধ্যে ৪১২টি খেলাকে বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে প্রচলিত আরও ৭০০টির বেশি খেলাকে নিয়মবদ্ধ করে বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে যুক্ত করার কাজ চলছে।

‘এসব দেশে পাঠ্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে খেলনা ও খেলার সমন্বয় করা হয়েছে। কোন শ্রেণিতে কোন বিষয়ের কোন অধ্যায় শেখাতে কোন খেলনা বা খেলা ব্যবহার করা হবে, তা পাঠ্যবই ও পাঠ্যক্রমে নির্ধারণ করা থাকে।’

চীন ও জাপানের উদাহরণ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এসব দেশে পাঠ্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে খেলনা ও খেলার সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’ তিনি জানান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং শিগগিরই সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক করে প্রাথমিক শিক্ষায় খেলাধুলা ও খেলনাভিত্তিক শিখন আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গুলশান, ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ববি হাজ্জাজ (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১২টি (খেলা), ৭০০টির বেশি (খেলা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖