📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ১৫টি বিষয়ের সংশোধিত সিলেবাস যাচাইয়ের জন্য গাজীপুরে দুদিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে। উপাচার্য আমানুল্লাহ সভাপতিত্ব করেন এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হচ্ছে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ১৫টি বিষয়ে সংশোধিত সিলেবাসের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গাজীপুরের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুদিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালা শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক এবং বিষয়বস্তুর অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫টি বিষয়ে সংশোধিত সিলেবাসের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দুদিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- 📌 উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ কর্মশালার সভাপতিত্ব করেছেন এবং সহ-উপাচার্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষকদের মতামতের ভিত্তিতে সিলেবাসের বিষয়বস্তু, শিক্ষণপ্রক্রিয়া এবং বাস্তবজীবনে প্রয়োগযোগ্যতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
- 📌 উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে কারিকুলাম আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা এবং কর্মমুখী শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
- 📌 ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে অধ্যয়ন করায়, সিলেবাসের গুণগত পরিবর্তন দেশের উচ্চশিক্ষার উন্নতিতে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন উপাচার্য।
📰 বিস্তারিত
‘ভ্যালিডেশন অব দ্য রিভাইজড ব্যাচেলর অব অনার্স সেকেন্ড ইয়ার সিলেবাস’ শীর্ষক কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অনারারি অধ্যাপক এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য মো. নুরুল ইসলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীনও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম ও সিলেবাস আধুনিকায়ন দেশের উচ্চশিক্ষার জন্য অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো করার জন্য পড়াশোনা না করে, বাস্তব জীবনে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে সিলেবাস পুনরায় দেখানো হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে অধ্যয়ন করেন। এই শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন ছাড়া দেশের উচ্চশিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।”
সহ-উপাচার্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কর্মশালায় বলেছেন, “সংশোধিত সিলেবাসে শিক্ষার্থীদের বাস্তবজীবন ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। কারিগরি ও ব্যবহারিক বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নের অংশ হিসেবে কারিকুলাম আধুনিকায়নের উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে চলবে। শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা, কর্মমুখী শিক্ষা এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।”
সমাজবিজ্ঞানী এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঔপনিবেশিকতার প্রভাব থেকে মুক্ত করতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাধীন চিন্তা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং বাস্তবজ্ঞান তৈরি হয়।”
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) এ এইচ এম রুহুল কুদ্দুস, স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ফকির রফিকুল আলম এবং স্নাতকপূর্ব শিক্ষাবিষয়ক স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মো. আশেক কবির চৌধুরী।
"শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো করার জন্য না পড়ে, বাস্তব জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারেন — সে লক্ষ্যে আমরা সিলেবাসকে নতুন করে দেখছি।"
"দেশের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে অধ্যয়ন করেন। এই শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন ছাড়া দেশের উচ্চশিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা কঠিন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাস, সিনেট হল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, সহ-উপাচার্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, মো. নুরুল ইসলাম, সাবিনা শরমীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি বিষয়, ২৬ সেপ্টেম্বর, ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!