📌 চরফ্যাশনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ২০১৩ সালের জাতীয়করণ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়া ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন করেন। তারা জাতীয়করণের পাশাপাশি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ ও উপবৃত্তি দাবি জানান
চরফ্যাশনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারের প্রতি জোরালো দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করে। তারা ২০১৩ সালের জাতীয়করণ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়া ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান। শনিবার সকালে চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে শিক্ষকরা দাবি করেন, জাতীয়করণের বাইরে থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চরফ্যাশনে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ২০১৩ সালের জাতীয়করণ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়া ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন করেন
- 📌 ৯ জানুয়ারি ২০১৩ সালের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত, জমির দলিল থাকা এবং পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে এমন ৩১ হাজার বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয়ের তথ্য পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের আওতায় আসেনি
- 📌 বাদ পড়া বিদ্যালয়গুলোর অধিকাংশই গ্রাম ও দুর্গম এলাকায় অবস্থিত, যেখানে নিম্নআয়ের পরিবারের শিশুরা পড়াশোনা করে
- 📌 শিক্ষকরা দাবি করেন, জাতীয়করণের বাইরে থাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সরকারি উপবৃত্তি, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন
- 📌 মানববন্ধনে বক্তারা সরকারকে দাবি জানান, বাদ পড়া বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণের আওতায় আনতে এবং তাদের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
চরফ্যাশন উপজেলা শাখা বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে শনিবার সকালে চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সংগঠনের উপজেলা সভাপতি মো. ইব্রাহিম সভাপতিত্ব করেন। বক্তারা বলেন, ২০১৩ সালের জাতীয়করণ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়া বিদ্যালয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কিন্তু জাতীয়করণের বাইরে থাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুব আলম বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা শিশুদের মূল্যবোধ ও মানবিকতা গঠনের অন্যতম ভিত্তি। তিনি দাবি করেন, বাদ পড়া বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ, সরকারি উপবৃত্তি এবং অন্যান্য শিক্ষা-সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল বলেন, বাদ পড়া বিদ্যালয়গুলোর অধিকাংশই গ্রাম ও দুর্গম এলাকায় অবস্থিত। এসব প্রতিষ্ঠানে নিম্নআয়ের পরিবারের অনেক শিশু পড়াশোনা করে। তিনি বলেন, সরকারি উপবৃত্তি ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী হওয়ার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষায় অংশগ্রহণও বাড়বে।
"প্রাথমিক শিক্ষা শিশুদের মূল্যবোধ ও মানবিকতা গঠনের অন্যতম ভিত্তি। বাদ পড়া বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন, কিন্তু এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চরফ্যাশন উপজেলা, ভোলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইব্রাহিম (উপজেলা সভাপতি), মো. মাহাবুব আলম (সাধারণ সম্পাদক), মো. মোস্তফা কামাল (সাংগঠনিক সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয়, ৩১ হাজার বিদ্যালয়, ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!