📌 শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফেসবুকে জানান, ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় প্রার্থীদের দ্রুত সমাধান দেওয়া হবে। প্রার্থীরা দাবি করেছেন ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের নথি আবার যাচাই করার এবং ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যে আটকে থাকা নিয়োগপত্র প্রদানের
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফেসবুকে শিক্ষক নিয়োগপত্র না পাওয়ায় প্রার্থীদের দ্রুত সমাধান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি জানান, ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় প্রার্থীদের নথি পরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এই বার্তা দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী জানান, ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় প্রার্থীদের নথি পরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে
- 📌 প্রার্থীদের দাবি: ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের নথি আবার যাচাই করার এবং ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যে আটকে থাকা নিয়োগপত্র প্রদানের
- 📌 প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে
- 📌 ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়, যেখানে মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন
- 📌 দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট চলছে
📰 বিস্তারিত
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে তা পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র প্রেরণ করা হবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন/ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।
এদিকে, ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের নথি আবার যাচাই এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগের দাবি জানিয়েছেন চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকেরা। তারা আরও দাবি করেছেন, প্রশাসনিক ভুল সংশোধন এবং ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণের। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবিগুলো তুলে ধরা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই বা ভেরিফিকেশনের নামে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই অনেক যোগ্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি। প্রার্থীরা পাঁচটি দাবি জানিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আবার যাচাই, প্রশাসনিক আপিলের ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ভুল সংশোধন এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় সৃষ্ট পরিস্থিতির ব্যাখ্যা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি।
"আমরা লক্ষ্য করছি যে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে তা পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র প্রেরণ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (ফেসবুক বার্তা ও দাবি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকেরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ হাজার ২০০ জন, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন, ৬৫ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!