📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নরসিংদীর রায়পুরায় জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ পাঠদান

নরসিংদীর রায়পুরায় জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ পাঠদান

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার ৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট প্রকট। জরাজীর্ণ ভবনের দেয়ালে ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়া এবং রড বেরিয়ে থাকায় শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিতে। অভিভাবক ও শিক্ষকরা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার ৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক বিদ্যালয়ের দেয়ালে বড় ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং রড বেরিয়ে থাকার মতো বিপজ্জনক অবস্থা বিরাজ করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রায়পুরা উপজেলার ৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট দেখা দিয়েছে
  • 📌 বিদ্যালয় ভবনের দেয়ালে বড় ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়া এবং রড বেরিয়ে থাকা চিত্র দেখা গেছে
  • 📌 মির্জাপুর ইউনিয়নের ১৫১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ভবনের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক
  • 📌 বিদ্যালয়টিতে ২৪৮ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র তিনজন শিক্ষক রয়েছেন
  • 📌 অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

রায়পুরা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ বিদ্যালয়ের ভবনই দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক বিদ্যালয়ে টিনশেড ঘরের চাল ফুটো হয়ে ভেঙে পড়ছে। বৃষ্টির সময় শ্রেণিকক্ষে ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ায় স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া দুর্ঘটনার শঙ্কায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মির্জাপুর ইউনিয়নের ১৫১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির দুটি ভবনের একটি দীর্ঘদিনের পুরোনো ও জরাজীর্ণ। ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়া এবং রড বেরিয়ে থাকার চিত্র দেখা গেছে। বিদ্যালয়টিতে ২৪৮ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন তিনজন। অপর ভবনে তিনটি কক্ষ থাকলেও একটি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে পাঠদানের জন্য থাকে মাত্র দুটি কক্ষ। শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো ভবনেও ক্লাস নিতে হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শাহজাহান বলেন, ‘আমাদের স্কুলে দুটি ভবন রয়েছে। একটি ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। নতুন ভবনটিতে তিনটি কক্ষের মধ্যে একটি অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস নিতে হচ্ছে। ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা সরকারের কাছে নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন করছি।’

উপজেলার করিমগঞ্জ ১৮৪ নম্বর-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট মমিন মিয়া বলেন, বিদ্যালয় ভবনের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক ও ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুঁইয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশুদের ক্লাস করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছি। শিক্ষার পরিবেশ ও শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে করিমগঞ্জ ১৮৪ নম্বর-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্রুত একটি নতুন বহুতল ভবন বরাদ্দের দাবি জানাচ্ছি।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রায়পুরা, নরসিংদী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহজাহান (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক), অ্যাডভোকেট মমিন মিয়া (বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭টি বিদ্যালয়, ২৪৮ জন শিক্ষার্থী, ৩ জন শিক্ষক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖