📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে ডাক্তারি স্বপ্নে মশগুল নওগাঁর মোশরেফা

দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে ডাক্তারি স্বপ্নে মশগুল নওগাঁর মোশরেফা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার মোশরেফা খাতুন কাঁচা রাস্তা পেরিয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যান। তার স্বপ্ন বড় হয়ে ডাক্তার হওয়া এবং গ্রামের গরিব মানুষদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়া। প্রথম আলো ট্রাস্ট তাকে স্কুলে যাতায়াতের জন্য সাইকেল ও বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে

নিয়ামতপুর উপজেলার গুড়িহারী শালবাড়ি গ্রামের মোশরেফা খাতুন প্রতিদিন কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে বিদ্যালয়ে যান। তার বাবা একজন প্রান্তিক কৃষক এবং মা গৃহিণী। সংসারের অভাবের মধ্যেও তার পড়াশোনার প্রতি অদম্য জেদ তাকে আলোর পাঠশালার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের একজন করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মোশরেফা খাতুন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার গুড়িহারী শালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা
  • 📌 প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী
  • 📌 বাবা প্রান্তিক কৃষক ও মা গৃহিণী — সংসারে অভাবের মধ্যেও তার পড়াশোনা অব্যাহত
  • 📌 বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য তাকে সাইকেল প্রদান করেছে প্রথম আলো ট্রাস্ট
  • 📌 স্বপ্ন বড় হয়ে ডাক্তার হয়ে গ্রামের গরিব মানুষদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়া

📰 বিস্তারিত

কাঁচা রাস্তার কাদা-ধুলা পেরিয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসেন মোশরেফা খাতুন। তার বাবা একজন প্রান্তিক কৃষক এবং মা গৃহিণী। তিন বেলা পেট ভরে খাবার জোটে না তাদের সংসারে। তবুও মোশরেফার চোখে রয়েছে আলোর স্বপ্ন আর বড় হওয়ার অদম্য ইচ্ছা। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, তিনি শ্রেণিকক্ষে সবচেয়ে মনোযোগী শিক্ষার্থী।

বিদ্যুতের অভাবে রাতে কুপি বা হারিকেনের আলোয় পড়াশোনা করেন মোশরেফা। তার বাসায় একটি পড়ার টেবিল পর্যন্ত নেই। পুরনো পোশাক পরে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে তিনি বিদ্যালয়ে যান। এলাকাবাসী ও শিক্ষকদের কাছ থেকে তিনি পেয়েছেন অকুণ্ঠ সমর্থন।

প্রথম আলো ট্রাস্ট তাকে বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য সাইকেল প্রদান করেছে। এছাড়া তাকে বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। মোশরেফা জানান, ‘আমি বড় হয়ে গ্রামের গরিব মানুষদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিতে চাই। আমার বাবা-মায়ের সব কষ্ট দূর করতে চাই।’

‘শুধু দারিদ্র্যের কারণে বহু প্রতিভাবান শিক্ষার্থী অঙ্কুরেই ঝরে যায়। একটু সুযোগ পেলে এরা নিজেদের বিকশিত করতে পারে।’ — গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিয়ামতপুর উপজেলা, নওগাঁ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোশরেফা খাতুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সপ্তম শ্রেণি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖