📌 মোহাম্মদপুরে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। শাস্তি প্রতিরোধ, শিক্ষার্থীদের মানসিক-শারীরিক বিকাশ ও সুস্থ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিতকরণে আলোচনা হয়। বেফাকের মহাসচিবসহ তিনজন আলোচক অংশগ্রহণ করেন
মোহাম্মদপুরে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক) এর আওতায় এই কর্মশালা আয়োজিত হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মোহাম্মদপুরের জামিয়া ইসলামিয়া ওয়াহিদীয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আলোচনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুরে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়, যা বেফাকের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত
- 📌 কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি প্রতিরোধ, শরয়ি সীমার মধ্যে শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং তাদের বিকাশ নিশ্চিতকরণে আলোচনা করা হয়
- 📌 তিনজন আলোচক অংশগ্রহণ করেন: জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার শাইখুল হাদিস মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক এবং আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক মাওলানা মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আজহারী
- 📌 আলোচকগণ জোর দিয়ে বলেন, কওমি শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক চরিত্র গঠন এবং তাদের ওপর কোনো শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করা যাবে না
- 📌 বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক শিক্ষকদের সুন্নাহভিত্তিক তরবিয়াত ও কোমল আচরণ নিয়ে আলোচনা করেন
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদপুরের আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ড ‘ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া মোহাম্মদপুর’ এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় শিক্ষক ও পরিচালকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। আলোচকগণ শিক্ষার্থীদের সুস্থ বিকাশ ও মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে তাদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, শিক্ষকদের প্রধান দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের ওপর কোনো ক্ষোভ বা রাগের বশে শাস্তি প্রদান করা যাবে না।
মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, মাওলানা মাহফুজুল হক এবং মাওলানা মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আজহারী তাদের বক্তব্যে জোর দেন যে, কওমি শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশ। তারা শিক্ষকদের সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং সহমর্মিতাপূর্ণ শিক্ষাদানের উপর জোর দেন।
"কওমি শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক চরিত্র গঠন করা। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক অথবা মানসিক নির্যাতন করা যাবে না।"
কর্মশালায় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্ম-উন্নয়নের জন্য করণীয় বিষয়গুলোও আলোচনা করা হয়। বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক শিক্ষকদের সুন্নাহভিত্তিক তরবিয়াত ও কোমল আচরণের মাধ্যমে শিক্ষাদান পদ্ধতির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা (জামিয়া ইসলামিয়া ওয়াহিদীয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আজহারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ১২ ঘণ্টা (কাতারে অবস্থানকাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!