📌 জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে মানবাধিকার ও সমতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নতুন প্রযুক্তিকে টেকসই উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করতে হবে, ঘৃণা ও সহিংসতায় উসকানি ছড়াতে না ব্যবহার করা উচিত
জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিকাশে মানবাধিকার ও সমতা নিশ্চিত করার জন্য সতর্কতা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই প্রযুক্তিকে টেকসই উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা উচিত, না হলে এটি ঘৃণা ও সহিংসতায় উসকানি ছড়াতে ব্যবহৃত হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসংঘে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার (ডিডিপিএ) ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বক্তব্য দেন
- 📌 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে মানবাধিকার, সমতা ও বৈষম্যহীনতা নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 বাংলাদেশের লক্ষ্য: অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই সব মানুষের বৈচিত্র্য ও মর্যাদা সমুন্নত রাখা
- 📌 নতুন প্রযুক্তিকে টেকসই উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করতে হবে, ঘৃণা ও সহিংসতায় ব্যবহার নিষিদ্ধ
📰 বিস্তারিত
সোমবার জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি হলেও এর ব্যবহার সতর্কতার সাথে করতে হবে। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তিকে ঘৃণা ও সহিংসতায় উসকানি ছড়াতে ব্যবহারের পরিবর্তে টেকসই উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা উচিত।
রাষ্ট্রদূত আইরিন খান আরও বলেছেন, বাংলাদেশ এমন একটি বিশ্ব গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেখানে অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই সব মানুষের বৈচিত্র্য ও মর্যাদা সমুন্নত থাকবে। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে মানবাধিকার, সমতা ও বৈষম্যহীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
এই বক্তব্য ঢাকায় প্রাপ্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত হয়েছে।
"নতুন প্রযুক্তিকে টেকসই উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে মানবাধিকার, সমতা ও বৈষম্যহীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসংঘ, নিউ ইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫তম বার্ষিকী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!