📌 জামালপুরে চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ৫১ সহকারী শিক্ষক প্রার্থী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে অনশনে বসেছেন। তারা দাবি করছেন আজকের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়া হোক, না হলে অনশন চালিয়ে যাবেন
জামালপুর জেলায় চূড়ান্তভাবে নিয়োগের সুপারিশ পেলেও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ৫১ সহকারী শিক্ষক প্রার্থী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে অনশনে বসেছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করে দাবি জানাচ্ছেন, দ্রুত নিয়োগপত্র না দেওয়া হলে তারা অনশন চালিয়ে যাবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুরে ৫১ সহকারী শিক্ষক প্রার্থী অনশনে বসেছেন নিয়োগপত্র না পাওয়ায়
- 📌 চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেও ৮৪ জনের মধ্যে ৫১ জন নিয়োগপত্র পাননি
- 📌 অনশনরত প্রার্থী তানভীর রহমান বলেছেন, ‘আজকের মধ্যে নিয়োগপত্র না দেওয়া হলে আমরা লাশ নিয়ে যাব’
- 📌 জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিষয়টি সমাধান হবে
- 📌 অনশনরতদের মধ্যে কেউ প্ল্যাকার্ড ধরে, কেউ কাফনের কাপড় পরেছেন
📰 বিস্তারিত
জামালপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের বারান্দায় বেলা ১১টার দিকে দেখা যায়, সারি করে বসে আছেন অনশনরত প্রার্থীরা। তাদের মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ জনের মতো উপস্থিত। অনেকে নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র ধরে রেখেছেন, কেউ কেউ হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে আছেন। আবার কেউ কেউ গায়ে কাফনের কাপড় পরেছেন। অনেকের মাথায় জাতীয় পতাকা বাঁধা। কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন।
জামালপুর জেলায় সহকারী শিক্ষক পদে মোট ১৩৬ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। প্রথম ধাপে ৮৪ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল। পরে দ্বিতীয় ধাপে গতকাল সোমবার আরও একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হলেও এখনো ৫১ জন প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি।
অনশনরত প্রার্থী তানভীর রহমান বলেন, ‘আমরা নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। কিন্তু অন্যরা নিয়োগপত্র পেলেও আমরা এখনো পাইনি। আমাদের পরিবার তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে। নিজ যোগ্যতায় এত দূর এসেও আমরা নিয়োগ পাচ্ছি না। আমরা চাই, আজকের মধ্যে আমাদের নিয়োগ দেওয়া হোক। তা না হলে আমাদের লাশ এখান থেকে বের হবে।’
অন্য এক প্রার্থী মীর আফিফা সুলতানা বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের নিয়োগপত্র দেওয়া না হবে, ততক্ষণ আমরা এই অফিসেই আমরণ অনশন করে যাব।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান জানান, ‘এই ৫১ প্রার্থীর নথি নিয়ে আমি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে গিয়ে কাজ করছি। বিষয়টি নিয়ে অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ বিষয়ে একটি ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।’
"আমরা নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। কিন্তু অন্যরা নিয়োগপত্র পেলেও আমরা এখনো পাইনি। আমাদের পরিবার তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে। নিজ যোগ্যতায় এত দূর এসেও আমরা নিয়োগ পাচ্ছি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আলী আহসান (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা), তানভীর রহমান, মীর আফিফা সুলতানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ (অনশনরত প্রার্থী), ১৩৬ (মোট সুপারিশপ্রাপ্ত), ৮৪ (প্রথম ধাপে নিয়োগপত্র পেয়েছেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!