📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মেহেরপুর নার্সিং কলেজের অব্যবহৃত অবকাঠামো: ৪০ কোটি টাকার অপচয় থেকে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের ক্ষতি

মেহেরপুর নার্সিং কলেজের অব্যবহৃত অবকাঠামো: ৪০ কোটি টাকার অপচয় থেকে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের ক্ষতি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মেহেরপুরে নির্মিত ৩৯ কোটি টাকার মেহেরপুর নার্সিং কলেজের অবকাঠামো দু’বছর ধরে অব্যবহৃত রয়েছে। অর্থ, প্রশাসনিক অনুমোদন ও শিক্ষক নিয়োগের বিলম্বের কারণে কলেজ চালু হয়নি, যা স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগকে সংকুচিত করছে

মেহেরপুরের ৩৯ কোটি টাকার মেহেরপুর নার্সিং কলেজের অবকাঠামো দু’বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি, যা স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগকে বাধাগ্রস্ত করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৪ সালের ২৭ জুন নির্মাণ শেষ হলেও ২০২৬ সাল পর্যন্ত কলেজ চালু হয়নি
  • 📌 ৩ একর ৬৩ শতক জমিতে ৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৪-তলা ভবন, ছাত্রাবাসসহ অবকাঠামো অব্যবহৃত
  • 📌 অর্থ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ফাইল চালাচালির কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বিলম্বিত
  • 📌 শিক্ষক, শিক্ষার্থী, আসবাব ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জামের অভাবের কারণে কলেজ চালু হয়নি
  • 📌 নার্সদের পদায়নসংক্রান্ত মামলা প্রতিষ্ঠান চালু করতে বাধা সৃষ্টি করছে
  • 📌 ৪০ কোটি টাকার বিনিয়োগের পাশাপাশি স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা
  • 📌 মেহেরপুরের শিক্ষার্থীদের ঢাকায় পড়াশোনা করতে বাধ্য হওয়া ও অভিভাবকদের কৃষিজমি বন্ধক রাখতে হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

মেহেরপুর নার্সিং কলেজের অবকাঠামো নির্মাণের পরও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। ২০২৪ সালের ২৭ জুন নির্মাণকাজ শেষ হলেও দু’বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর হয়নি। ৩ একর ৬৩ শতক জমিতে নির্মিত ৪-তলা একাডেমিক ভবন, ছাত্রাবাসসহ অবকাঠামো তৈরিতে ৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। কিন্তু শিক্ষক, শিক্ষার্থী, আসবাব ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জামের অভাবের কারণে কলেজ চালু হয়নি।

অর্থ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ফাইল চালাচালির কারণে কলেজ চালুর প্রক্রিয়া আটকে আছে। অর্থ বরাদ্দ, প্রশাসনিক অনুমোদন ও পদ সৃজন তিনটি কাজ তিন মন্ত্রণালয়ে পড়ে রয়েছে। এছাড়াও নার্সদের পদায়নসংক্রান্ত মামলা প্রতিষ্ঠান চালু করতে বাধা সৃষ্টি করছে।

অব্যবহৃত ভবনের রক্ষণাবেক্ষণেও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। দীর্ঘদিন পড়ে থাকলে স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। জনসম্পদের অপচয় শুধু অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে নয়, বিপুল অর্থ ব্যয়ে সম্পদ তৈরি করে তা অব্যবহৃত রাখাও অপচয়।

মেহেরপুরের অনেক শিক্ষার্থী নার্সিং পড়তে ঢাকায় গিয়ে বাসা ভাড়া করে থাকতে হয়েছে। পড়াশোনার খরচ জোগাতে সুইটি আক্তারের মতো অনেকের অভিভাবককে কৃষিজমি বন্ধক রাখতে হয়েছে। নিজ জেলায় নার্সিং পড়ার সুযোগ না থাকায় অনেককে অন্যত্র যাওয়ার কথা ভাবতে হচ্ছে।

"আমলাতন্ত্রের কাজ জনসেবার পথ সুগম করা, সিদ্ধান্তহীনতার গোলকধাঁধা তৈরি করা নয়। মামলা থাকলে তার আইনসম্মত সমাধান খুঁজতে হবে; প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাকে অজুহাত করা যাবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মেহেরপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেরপুরের শিক্ষার্থী ও অভিভাবক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (ব্যয়), ৩ একর ৬৩ শতক (জমি), ২০২৪ সালের ২৭ জুন (নির্মাণ শেষ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖