📌 কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২ জন খণ্ডকালীন শিক্ষককে ২১ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ না করেই চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির আয় সরকারি কোষাগারে জমা হওয়ায় শিক্ষকদের পাওনা পরিশোধ সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২ জন খণ্ডকালীন শিক্ষককে ২১ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ না করেই চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি ইউএনও, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং বিভিন্ন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকদের কাছে লিখিতভাবে পেশ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির ২০১৮ সালে সরকারিকরণ হলেও দিবা শাখার ১৫ জন শিক্ষক সরকারি করণের আওতায় আসেননি
- 📌 প্রভাতী শাখার শিক্ষকদের অবসরজনিত কারণে ৮টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগী শিক্ষকদের প্রত্যেকের ২১ মাসের বেতন বাবদ ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে
- 📌 মোট বকেয়া দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৬৪ হাজার টাকা
📰 বিস্তারিত
হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খায়রুল ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠানটির আয় সরকারি কোষাগারে জমা হওয়ায় খণ্ডকালীন শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, কলেজ একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খণ্ডকালীন শিক্ষকদের পাঠদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও নিয়মিত বেতন পাননি। তাঁদের প্রত্যেকের ২১ মাসের বেতন বাবদ প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা হারে জনপ্রতি ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। ১২ জন শিক্ষকের মোট বকেয়া দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়ায় এসব শিক্ষক পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দৈনন্দিন খরচ, সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে তাঁরা চরম সংকটে পড়েছেন। অনেকে ধারদেনা করে সংসার চালাচ্ছেন বলে জানান শিক্ষকরা।
‘বিদ্যালয়ের আয় সরকারি কোষাগারে জমা হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ টাকা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কলেজ একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খণ্ডকালীন শিক্ষকদের পাঠদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে।’ — মো. খায়রুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
ভুক্তভোগী শিক্ষকরা তাঁদের পাওনা পরিশোধে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মো. খায়রুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন শিক্ষক, ২১ মাস, ১৭ লাখ ৬৪ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!