📌 শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন ঘোষণা করেছেন, নিম্নমানের পাঠ্যবই সরবরাহকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। বিদেশী মুদ্রণ বন্ধ করে দেশীয় মুদ্রণশিল্পকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি মিড ডে মিলের কুপন ব্যবস্থা চালু করা হবে
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নিম্নমানের পাঠ্যবই সরবরাহকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পাঠ্যবইয়ের মান নিশ্চিত করতে কোনো আপস করা হবে না। ইতোমধ্যে বাতিল ও নষ্ট করা হয়েছে যেসব নিম্নমানের বই পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, নিম্নমানের পাঠ্যবই সরবরাহকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।
- 📌 বিদেশী মুদ্রণ বন্ধ করে দেশীয় মুদ্রণশিল্পকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বছর কোনো বিদেশী কোম্পানিকে মুদ্রণের কাজ দেয়া হয়নি।
- 📌 ১৫০টি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কর্মসূচি চালু রয়েছে এবং ভবিষ্যতে সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে।
- 📌 মিড ডে মিলের কুপন ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা কুপন দিয়ে নিজেদের খাবার কিনতে পারবে।
- 📌 চতুর্থ শ্রেণিতে স্পোর্টস ও কালচারাল বই অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নতুন সিলেবাস প্রণয়ন করা হচ্ছে।
- 📌 প্রত্যেক উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং সৌদি আরবেও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
- 📌 পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিজি প্রেস ও আর্মি সিকিউরিটি প্রেস থেকে ছাপানো হবে এবং পুনর্মূল্যায়নের পরিবর্তন বাস্তবতার নিরিখে আনা হয়েছে।
- 📌 বাংলাদেশকে এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে ক্রস-বর্ডার এডুকেশন সিস্টেম চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
📰 বিস্তারিত
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন শনিবার (৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন, পাঠ্যবইয়ের মান নিশ্চিত করতে কোনো আপস করা হবে না। তিনি জানান, কাগজ, কালি ও ছাপাখানার ক্ষেত্রেও কোনো আপস করা হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশীয় মুদ্রণশিল্পকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বছর কোনো বিদেশী কোম্পানিকে মুদ্রণের কাজ দেয়া হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামীতে সময়মতো গুণগত মানের বই ছাপানো সম্ভব হবে।
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ১৫০টি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কর্মসূচি চালু রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে এ কর্মসূচি সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে। তিনি আরও বলেছেন, মানসম্মত খাবার সরবরাহের লক্ষ্যে মিড ডে মিল কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কুপন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা কুপন দিয়ে ক্যান্টিন থেকে নিজেদের খাবার কিনতে পারবে। স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে খাবার সরবরাহ প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমে কয়েকটি জেলায় এ ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে পরে সারাদেশে বাস্তবায়ন করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, চতুর্থ শ্রেণিতে স্পোর্টস ও কালচারাল বই অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নতুন সিলেবাস প্রণয়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে মানবসম্পদ উন্নয়নের বিকল্প নেই। প্রত্যেক উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এসব প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় ভাষা চালু করা হবে। সৌদি আরবেও টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, আগামীতে পরীক্ষার দুই সেট প্রশ্ন দুই জায়গা থেকে ছাপানো হবে। প্রশ্নপত্র বিজি প্রেস ও আর্মি সিকিউরিটি প্রেস থেকে করা হবে। তিনি বলেন, পরীক্ষা গ্রহণের কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে যাতে সময় নষ্ট না হয়, সে জন্য সময়মতো পরীক্ষা নেয়া হবে এবং বর্ষাকালীন দুর্যোগও এড়িয়ে চলা হবে। পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের পরিবর্তন বাস্তবতার নিরিখে আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
"পাঠ্যবইয়ের মানের সাথে কোনো আপস করা হবে না। নিম্নমানের বই সরবরাহের সাথে যারা জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ অক্টোবর, ১৫০টি উপজেলা, ৫০০টি বিদেশী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!