📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী আড়িয়াল বাসের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের আবেগঘন বিদায় ও নবীনদের স্বাগত জানাতে আয়োজিত হয়েছে বার্ষিক বনভোজন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। ১৫তম ও ১৬তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের চার বছরের স্মৃতি বিজড়িত বাস জীবনের সমাপ্তি ঘটেছে এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।
ঢাকার মুন্সিগঞ্জের লৌহজং রুটে চলাচলকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী আড়িয়াল বাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে চার বছরের অসংখ্য স্মৃতি। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য এই বাস হয়ে উঠেছিল দ্বিতীয় আবাস। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে নিমতলার মডার্ন গ্রিন সিটিতে আয়োজিত বার্ষিক বনভোজন, নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন বিদায়ী শিক্ষার্থীরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদায়ী হন ১৫তম ও ১৬তম আবর্তনের শিক্ষার্থীরা
- 📌 অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলা, নৃবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা
- 📌 বিদায়ী শিক্ষার্থীরা জানান, বাসের প্রতিটি মুহূর্ত তাদের স্মৃতিতে অম্লান হয়ে থাকবে
- 📌 ২১তম আবর্তনের নবীনদের স্বাগত জানানো হয় ফুল দিয়ে
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও
- 📌 আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বাস কমিটির সদস্যরা
📰 বিস্তারিত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী আড়িয়াল বাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে চার বছরের অসংখ্য স্মৃতি। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য এই বাস হয়ে উঠেছিল দ্বিতীয় আবাস। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে নিমতলার মডার্ন গ্রিন সিটিতে আয়োজিত বার্ষিক বনভোজন, নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন বিদায়ী শিক্ষার্থীরা।
বিদায়ী শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখার প্রথম দিন থেকেই আড়িয়াল বাস তাদের সঙ্গী ছিল। চার বছরের যাতায়াতের প্রতিটি মুহূর্ত তাদের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছিল। বাসের জানালা দিয়ে আসা বাতাস, জ্যামে আটকে থাকার আড্ডা আর পরীক্ষার আগের রাতের যৌথ পড়াশোনার স্মৃতি তাদের মনে পড়ে।
বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলেন বাংলা বিভাগের সাইফুল মৃধা, নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রান্ত ঘোষ, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের রবিউল আওয়াল ও প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের তাজকিয়া তুসি। তাঁরা বলেন, ‘বাসের প্রতিটি কোনায় জড়িয়ে আছে আমাদের হাসি-কান্না আর মান-অভিমানের গল্প। এই সুখকর স্মৃতিগুলো আমাদের স্মৃতিপটে চিরকাল অম্লান ও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
একইভাবে অনুভূতি প্রকাশ করেন ১৬তম আবর্তনের আইন বিভাগের শেখ মোহাম্মদ আরাফাত, নৃবিজ্ঞান বিভাগের নিশু আক্তার ও গণিত বিভাগের সীমান্ত হাওলাদার। তাঁরা জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের অন্যতম প্রাণবন্ত মুহূর্তগুলো ছিল আমাদের এই বাসকেন্দ্রিক।’
অন্যদিকে, ২১তম আবর্তনের নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। নতুন মুখেরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর থেকেই তাঁদের এই বাসের প্রতি অন্যরকম টান তৈরি হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ফিন্যান্স বিভাগের শেখ মোহাম্মদ জাকারিয়া, প্রাণরসায়ন ও অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের মির্জা সায়মা সাবিহা এবং দর্শন বিভাগের মিথিলা আক্তার।
আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাসুদ। তাঁরা শিক্ষার্থীদের এমন সুন্দর আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন।
‘প্রথম বর্ষে যখন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রেখেছিলাম, তখন থেকেই আড়িয়াল বাস আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। দেখতে দেখতে চারটা বছর কেটে গেল, আজ আমরা বিদায়ী শিক্ষার্থী। বাসের জানালা দিয়ে আসা বাতাস, জ্যামে আটকে থাকার আড্ডা; সবকিছুর কথাই মনে পড়ছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন নিমতলা, মুন্সিগঞ্জ
- 👥 বিদায়ী শিক্ষার্থী: সাইফুল মৃধা, প্রান্ত ঘোষ, রবিউল আওয়াল, তাজকিয়া তুসি, শেখ মোহাম্মদ আরাফাত, নিশু আক্তার, সীমান্ত হাওলাদার
- 👥 নবীন শিক্ষার্থী: শেখ মোহাম্মদ জাকারিয়া, মির্জা সায়মা সাবিহা, মিথিলা আক্তার
- 👥 শিক্ষক: ড. আতিয়ার রহমান, আবদুল্লাহ আল মাসুদ
- 🔢 আবর্তন: ১৫তম, ১৬তম, ২১তম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!