📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হলের ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের নাম পরিবর্তন করে অশ্লীল শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, প্রায় ছয় মাস আগেও একই ঘটনা ঘটেছিল। তারা দাবি করেছেন, গত এক মাস ধরে তাদের ডিভাইস বারবার ব্লক করা হচ্ছে এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হলের ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের নাম পরিবর্তন করে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন, প্রায় ছয় মাস আগেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তবে বর্তমানে পুনরায় একই ঘটনা ঘটছে বলে তারা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হলের ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের নাম পরিবর্তন করে অশ্লীল শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের
- 📌 ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, গত এক মাস ধরে তাদের ডিভাইস বারবার ব্লক করা হচ্ছে
- 📌 অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতি মাসে অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য
- 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, অনলাইন ক্লাস, একাডেমিক কার্যক্রম ও গবেষণা ব্যাহত হচ্ছে
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষার্থী জিতু ও সাব্বিরের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ উঠেছে
📰 বিস্তারিত
রবিবার (৩০ আগস্ট) লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাকের কাছে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। অভিযোগপত্রে তারা জানান, লালন শাহ হলের ৪০২ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে তারা ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সময় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রায় ছয় মাস আগেও একই ওয়াইফাই রাউটারে অননুমোদিত প্রবেশ ও সেটিংস পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছিল বলে তারা উল্লেখ করেন।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, গত এক মাস ধরে তাদের ব্যবহৃত ডিভাইসগুলো ধারাবাহিকভাবে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক থেকে ব্লক করা হচ্ছে। পাশাপাশি ওয়াইফাইয়ের নাম পরিবর্তন করে বিভিন্ন অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে তারা ইন্টারনেট ব্যবহারের পাশাপাশি মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে জানান। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ওয়াইফাই ব্যবহার করতে না পারায় তাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ডাটা বা ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনে অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। ফলে প্রতি মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, অনলাইন ক্লাস, শিক্ষক-সহপাঠীদের সঙ্গে যোগাযোগ, একাডেমিক উপকরণ সংগ্রহ, গবেষণা ও অন্যান্য শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোগপত্রে তারা আরও উল্লেখ করেন, ঘটনাটি নিজেদের যাচাই করতে গিয়ে কিছু স্ক্রিনশট ও কারিগরি তথ্য হাতে এসেছে। এর মধ্যে ডিভাইস নাম ও এমএসি এড্রেস-সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে বলে তারা জানান। একটি ডিভাইসকে ৪০৩ নম্বর কক্ষে অবস্থানরত ‘জিতু’ নামক এক শিক্ষার্থীর ব্যবহৃত বলেও উল্লেখ করা হয়।
"আমি কাউকে কোন হুমকি দেইনি। তাদের রাউটারকে নিয়ন্ত্রণ করছে আমি জানি না।"
এদিকে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ‘সাব্বির’ কর্তৃক হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগও তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সাব্বির হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবিষয়ে লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তিনি আবাসিক শিক্ষকদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। পরবর্তীতে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত সকলের সাথে আলোচনা করা হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালন শাহ হল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০-৬০০ টাকা (অতিরিক্ত ব্যয়), ৪০২ ও ৪০৩ নম্বর কক্ষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!