📌 রাজশাহীতে করা গবেষণায় দেখা গেছে, স্কুলের শব্দমাত্রা ৭৪ থেকে ৮০ ডেসিবেলের মধ্যে থাকায় ৫১.৭% শিশু পাঠে মনোযোগ দিতে পারছে না। শব্দদূষণ তাদের মৌখিক তথ্য মনে রাখার ক্ষমতাও প্রভাবিত করে
শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো মনোযোগ। কিন্তু অতিরিক্ত শব্দের পরিবেশে শিশুদের পড়াশোনায় বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। রাজশাহী শহরের আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে করা গবেষণায় এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের শব্দমাত্রা গড়ে ৭৪.১ থেকে ৮০.১ ডেসিবেলের মধ্যে ছিল। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫১.৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাঠে মনোযোগ দিতে অসুবিধা অনুভব করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীতে ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে করা গবেষণায় দেখা গেছে, শব্দমাত্রা গড়ে ৭৪.১ থেকে ৮০.১ ডেসিবেল
- 📌 ৫১.৭% শিক্ষার্থী জানায়, অতিরিক্ত শব্দের কারণে পাঠে মনোযোগ দিতে পারছে না
- 📌 শব্দদূষণ শিশুদের মৌখিক তথ্য মনে রাখার ক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে
- 📌 পরিবেশের অতিরিক্ত শব্দ পড়ার দক্ষতায় বাধা সৃষ্টি করে
📰 বিস্তারিত
শিক্ষার পরিবেশে শব্দের প্রভাব নিয়ে গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ইকোলজি জার্নালে। গবেষণায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫১.৭ শতাংশ জানিয়েছে, অতিরিক্ত শব্দের কারণে তাদের পাঠে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। গবেষকরা বলেছেন, শব্দের এই প্রভাব শুধু মনোযোগের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং শিশুদের মৌখিক তথ্য মনে রাখার ক্ষমতাও প্রভাবিত করে। এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড বিহেভিয়ার সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পরিবেশের অতিরিক্ত শব্দ পড়ার দক্ষতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, শব্দের এই প্রভাব শুধু শিক্ষার্থীদের মনোযোগের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের মৌখিক তথ্য মনে রাখার ক্ষমতাও প্রভাবিত করে। বিশেষত, কথাবার্তার শব্দ এবং পরিবেশের অন্যান্য শব্দই তাদের পড়ার দক্ষতায় বাধা সৃষ্টি করছে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে অতিরিক্ত শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি।
"শব্দদূষণ শিশুদের মনোযোগ ও শেখার পরিবেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়। তাই বিদ্যালয়ের আশপাশে অপ্রয়োজনীয় হর্ন ও অতিরিক্ত শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী শহরের ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থীরা (৫১.৭% অংশগ্রহণকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪.১-৮০.১ ডেসিবেল (শব্দমাত্রা), ৫১.৭% (অসুবিধা অনুভবকারী শিক্ষার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!