📌 মানসম্মত গবেষণা ও কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে স্থান পেয়েছে,其中 ৪টি বেসরকারি। সরকারের উদ্যোগে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু ও পাঠ্যক্রম উন্নয়নের ফলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অবস্থান শক্তিশালী হচ্ছে।
মানসম্মত গবেষণা, কর্মমুখী শিক্ষা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) ২০২৭ সালের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের মোট ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম স্থান পেয়েছে। অন্যদিকে, টাইমস হায়ার এডুকেশনের (টিএইচই) ২০২৭ সালের র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান উল্লেখযোগ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা
- 📌 টিএইচই র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৮০১ থেকে ২০০০-এর মধ্যে
- 📌 বর্তমানে দেশে ১১৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৪টি নিজস্ব ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে
- 📌 ইউজিসির ৫০তম বার্ষিক প্রতিবেদনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৪১৪ জন (ছাত্র: ২ লাখ ৩৩ হাজার ৪০৪ জন, ছাত্রী: ১ লাখ ২৫ হাজার ১০ জন)
- 📌 নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের ৯০১-৯৫০তম এবং এশিয়া র্যাঙ্কিংয়ে ১৪৯তম স্থান অর্জন করেছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। সরকারের উদ্যোগে যোগ্য ও সক্ষম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেছেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেশের উচ্চশিক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া, পিএইচডি করার সুযোগও সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষার্থী সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। ইউজিসির ৫০তম বার্ষিক প্রতিবেদনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৩ হাজার ১১৩ জন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ২১ হাজার ৩০৩ জন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ১৭ হাজার ৩২৫ জন এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ১২ হাজার ২২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।
কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বিশ্বের ৯০১ থেকে ৯৫০তম এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ১ হাজার ১ থেকে ১ হাজার ২০০তম অবস্থানে রয়েছে। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ১ হাজার ৪০১তম বা তার পরের অবস্থানে অবস্থান করছে। টিএইচই র্যাঙ্কিংয়ে এআইইউবি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ৮০১ থেকে ১ হাজারতম অবস্থানে রয়েছে।
"দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। ইতিমধ্যে পিএইচডি করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।"
শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষার মান উন্নয়ন, গবেষণা এবং কর্মবাজারের চাহিদার সঙ্গে পাঠ্যক্রমের সামঞ্জস্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। তবে তারা উল্লেখ করেছেন, সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান এক নয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মামুন আহমেদ (ইউজিসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় (মোট), ৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় (কিউএস র্যাঙ্কিং), ৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় (টিএইচই র্যাঙ্কিং)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!