📌 ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদন শুরু হয়েছে ১ নভেম্বর। ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং ২৭ নভেম্বর ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন অপেক্ষায় রয়েছে।
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদন আজ (১ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ার শেষে ২৭ নভেম্বর পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশের কথা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদন।
- 📌 ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে।
- 📌 ২৭ নভেম্বর ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ।
- 📌 ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।
- 📌 জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।
- 📌 সর্বোচ্চ পাসের হার ঢাকা বোর্ডে ৬১.৮০ শতাংশ।
- 📌 সর্বনিম্ন পাসের হার বরিশাল বোর্ডে ৪৪.৮৪ শতাংশ।
- 📌 ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।
- 📌 সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন অপেক্ষায় রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
শনিবার (৩১ অক্টোবর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেছে। ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এরপর ৮ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে আবেদনসংক্রান্ত ডাটা সংগ্রহ করা হবে। পরদিন ৯ নভেম্বর কম্পিউটার সেল থেকে উত্তরপত্রের তথ্য ও বিষয়ভিত্তিক তালিকা সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হবে।
পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৯ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষক নিয়োগ এবং প্রধান পরীক্ষকদের কাছ থেকে উত্তরপত্র সংগ্রহ করা হবে। এরপর ১৩ থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষকদের ব্রিফিংয়ের পাশাপাশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের কাজ চলবে। পরীক্ষকদের স্বাক্ষর করা বিবরণী ও উত্তরপত্র কম্পিউটার সেলে জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ নভেম্বর। পরবর্তী ধাপে ২১ থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত কম্পিউটার সেলে পরিবর্তিত নম্বর এন্ট্রি ও উত্তরপত্রের লিথোকোড যাচাই করা হবে। এরপর ২৪ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত পরিবর্তিত উত্তরপত্রের চূড়ান্ত যাচাই সম্পন্ন হবে।
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত হয়। ফলাফলে পাসের হারে ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬.৩১ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৪৭.৭৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী। ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ পাসের হার ৬১.৮০ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন পাসের হার বরিশাল বোর্ডে ৪৪.৮৪ শতাংশ।
সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে বোর্ডের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলেছেন, বিদ্যমান বিধিমালায় এ ধরনের পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশনার ওপর নির্ভর করছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও নির্দেশনা পাওয়ার পরই পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
"আবেদন গ্রহণ থেকে শুরু করে উত্তরপত্র যাচাই ও নম্বর সংশোধনের পুরো প্রক্রিয়া শেষে ২৭ নভেম্বর ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড (ঢাকা, বরিশাল সহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরীক্ষার্থীরা, পরীক্ষকদের, শিক্ষা বোর্ডের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ নভেম্বর (আবেদন শুরু), ৭ নভেম্বর (আবেদন শেষ), ২৭ নভেম্বর (ফল প্রকাশ), ৫২.১২% (গড় পাসের হার), ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন (পাসকারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!