📌 সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে এইচএসসির রসায়ন ব্যবহারিক পরীক্ষায় ছাত্রীদের প্রতি অসদাচরণ ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে এক ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টকে বদলি করা হয়েছে। অভিযোগকারী ২১ শিক্ষার্থীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন
সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে চলমান এইচএসসি ও সমমানের রসায়ন ব্যবহারিক পরীক্ষায় ছাত্রীদের প্রতি অসদাচরণ এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে মো. শুকুর আলী নামের এক ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদিনাথ সরকারি কলেজে বদলি করা হয়েছে। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ১২ আগস্ট সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে এইচএসসির রসায়ন ব্যবহারিক পরীক্ষা চলাকালে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. শুকুর আলী ছাত্রীদের অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ ও অসদাচরণ করেন
- 📌 অভিযোগ অনুসারে, তিনি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০০ টাকা করে আদায় করেছেন
- 📌 ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২১ জন শিক্ষার্থী লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন
- 📌 অধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহীদুল হাসান তাঁকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদিনাথ সরকারি কলেজে বদলি করার নির্দেশ দেন
📰 বিস্তারিত
গত ১২ আগস্ট সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে এইচএসসির রসায়ন ব্যবহারিক পরীক্ষা চলাকালে মওলানা ভাসানী কলেজের ‘জ’ গ্রুপের ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষা পরিচালনার সময় রসায়ন বিভাগের ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. শুকুর আলী ছাত্রীদের প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ ও অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এক পরীক্ষার্থী জানান, ‘হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর নেওয়ার বাহানায় তিনি আমাদের শরীরে স্পর্শ করেছেন। কক্ষ পরিদর্শক উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও এমন আচরণ করেন।’
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন যে, তিনি তাঁদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০০ টাকা করে আদায় করেছেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার মওলানা ভাসানী কলেজের ২১ জন শিক্ষার্থী সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘তাঁকে শুধু বদলি করলেই হবে না, সবার সামনে ক্ষমা চাইতে হবে।’
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহীদুল হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছি। তাঁকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদিনাথ সরকারি কলেজে বদলি করা হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার অনুযায়ী এর চেয়ে বেশি কিছু করার সুযোগ আমাদের ছিল না।’
‘হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর নেওয়ার বাহানায় ওই অ্যাসিস্ট্যান্ট আমাদের শরীরে স্পর্শ করেছেন। কক্ষ পরিদর্শক স্যার উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তিনি এমন আচরণ করেছেন। স্যার চলে যাওয়ার পর তিনি আবারও সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করলে আমরা সরে যাই।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মুহীদুল হাসান, মো. শুকুর আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ জন শিক্ষার্থী, ১০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!