📌 করপোরেট জগতে একাডেমিক ডিগ্রির পাশাপাশি অনলাইন সার্টিফিকেটের গুরুত্ব বাড়ছে। গ্রামীণফোনের সিএইচআরও সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেছেন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য সার্টিফিকেটগুলো ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
অনলাইন সার্টিফিকেট কীভাবে আপনার ক্যারিয়ারকে নতুন উচ্চতা দিতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেন। তিনি বলেছেন, আজকাল নিয়োগদাতারা শুধু একাডেমিক ডিগ্রি দেখেন না, বরং প্রার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও আত্ম-উন্নয়নের প্রতি আগ্রহও মূল্যায়ন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 করপোরেট প্রতিষ্ঠানে অনলাইন সার্টিফিকেটগুলো শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল স্কিল বাড়াতে সহায়তা করে, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল মার্কেটিং ও ডেটা অ্যানালিটিক্সে
- 📌 সার্টিফিকেটের প্রকৃত মূল্য নির্ভর করে প্রার্থীর বাস্তব জ্ঞান ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, না কেবল সনদটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে
- 📌 অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা প্রার্থীদের ফ্রিল্যান্সিং ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সুযোগ তৈরি করে
- 📌 নিয়োগকর্তারা আত্ম-উন্নয়নের ইঙ্গিত হিসেবে প্রার্থীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনলাইন শেখার চেষ্টা মূল্যায়ন করেন
- 📌 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক কোর্সে অংশগ্রহণের সময় বিষয়টির মৌলিক মেকানিজম বুঝতে হবে, শুধু সার্টিফিকেট নয়
📰 বিস্তারিত
গ্রামীণফোনের সিএইচআরও সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেছেন, প্রথাগত একাডেমিক সিলেবাস অনেক সময় প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে ধাপে ধাপে পিছিয়ে পড়ে। এই ক্ষেত্রে গুগল, কোর্সেরা বা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব একাডেমি থেকে প্রাপ্ত অনলাইন সার্টিফিকেটগুলো শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরূপ, একজন প্রার্থী যদি ‘ভিডিও এডিটিং’ কোর্স করেন, তবে তার কাজের পোর্টফোলিও উপস্থাপন করতে পারলে সার্টিফিকেটের মূল্য আরও বাড়ে।
নিয়োগকর্তারা অনলাইন সার্টিফিকেটের মূল্যায়ন করার সময় শুধু সনদটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে তা দেখেন না। বরং তারা দেখেন প্রার্থী কতটুকু কার্যকর প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করেছেন। সৈয়দা তাহিয়া বলেন, ‘আপনি যদি বাস্তবে সেই টুলের ব্যবহার করতে পারেন এবং সমস্যা সমাধান করতে পারেন, তবেই সার্টিফিকেটের প্রকৃত মূল্য তৈরি হয়।’
অনলাইন সার্টিফিকেটের আরেকটি সুবিধা হলো এটি ফ্রিল্যান্সিং ও আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ তৈরি করে। ঘরে বসেই বিশ্বব্যাপী রিমোট কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা এখন আর বিরল নয়। তবে সৈয়দা তাহিয়া সতর্ক করেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা জেনারেটিভ টুলের কোর্সে অংশগ্রহণের সময় শুধু সার্টিফিকেট বা রেডিমেড উত্তর নয়, বিষয়টির মৌলিক মেকানিজম বুঝতে হবে। তিনি বলেন, ‘ইন্টারভিউ বোর্ডে একজন অভিজ্ঞ নিয়োগকর্তা ঠিকই যাচাই করে নিতে পারেন, প্রার্থীর আইডিয়া কতখানি মৌলিক।’
সৈয়দা তাহিয়া আরও উল্লেখ করেছেন, অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে নিজের আগ্রহের বিষয়ে শেখার চেষ্টা করা একজন প্রার্থীর আত্ম-উন্নয়নের প্রতি আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়। নিয়োগকর্তারা এই গুণটিকে বেশ মূল্যায়ন করেন, কারণ এটি বোঝায় যে প্রার্থী পড়াশোনা শেষ করার পরও নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
"আপনি যদি বাস্তবে সেই টুলের ব্যবহার করতে পারেন এবং সমস্যা সমাধান করতে পারেন, তবেই সার্টিফিকেটের প্রকৃত মূল্য তৈরি হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: করপোরেট প্রতিষ্ঠান (গ্রামীণফোন, অন্যান্য কর্পোরেশন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দা তাহিয়া হোসেন (গ্রামীণফোনের সিএইচআরও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০ (কোনো সংখ্যা উল্লেখ নেই, তবে উল্লেখযোগ্য বিষয়: অনলাইন সার্টিফিকেটের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ দিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!