📌 কেরানীগঞ্জের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্ধুসভার উদ্যোগে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শতাধিক শিক্ষামূলক বই দিয়ে গড়ে তোলা এই পাঠাগারটি শিক্ষার্থীদের বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে
কেরানীগঞ্জের ৯৩ নম্বর সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্ধুসভার উদ্যোগে একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে শতাধিক শিক্ষামূলক বই দিয়ে পাঠাগারটি গড়ে তোলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার কেরানীগঞ্জের ৯৩ নম্বর সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্ধুসভার উদ্যোগে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যা আগে ছিল না
- 📌 ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বন্ধুসভার সদস্যরা পাঠাগারটির কার্যক্রম শুরু করেন, যা প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘একটি ভালো কাজ’ কর্মসূচির অংশ
- 📌 পাঠাগারে শতাধিক শিক্ষামূলক বই সংগ্রহ করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের বয়স ও আগ্রহের সঙ্গে মানানসই
- 📌 শিক্ষার্থীরা বই পড়ার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান অর্জন ও চিন্তাভাবনা বিকশিত করতে পারবেন
- 📌 বন্ধুসভার উদ্যোগের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মোবাইল থেকে দূরে রাখা ও বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা
📰 বিস্তারিত
৯৩ নম্বর সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আফিয়া হোসেন বলেছেন, ‘আমাদের স্কুলে আগে কোনো পাঠাগার ছিল না। এখন আমরা অনেক ধরনের বই পড়তে পারব। আমি চাই আমাদের স্কুলের সব বন্ধুই বই পড়ুক।’ পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন, ‘বই পড়লে অনেক কিছু শেখা যায়। আগে স্কুলে বই পড়ার জন্য আলাদা জায়গা ছিল না। এখন পাঠাগার হয়েছে, আমরা স্কুলেই বিভিন্ন বই পড়তে পারব। আমি নিয়মিত বই পড়তে ও নতুন নতুন বিষয় জানতে চাই।’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক লিটন হোসেন বলেছেন, ‘আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো পাঠাগার ছিল না। কেরানীগঞ্জ বন্ধুসভার বন্ধুরা আমাদের একটি পাঠাগার উপহার দিয়েছেন। এ জন্য আমরা তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ। এখান থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিক্ষামূলক বই পড়ে অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।’
বন্ধুসভার সদস্য মোহনা আক্তার বলেছেন, ‘শিশুদের জন্য উপযুক্ত বই বাছাই করে আমরা সংগ্রহ করেছি। আমরা চেয়েছি বইগুলো যেন তাদের বয়স ও আগ্রহের সঙ্গে মানানসই হয়। বই পড়ে তারা আনন্দ পাবে, নতুন কিছু জানার কৌতূহল তৈরি হবে ও নিজেরাই আরও বই পড়তে আগ্রহী হবে। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি হলে তাদের চিন্তাভাবনা বিকশিত হবে।’
বন্ধুসভার সভাপতি নাজিউল্লাহ ভূঁইয়া বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের মুঠোফোন থেকে দূরে রাখতে ও বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতেই আমাদের এ উদ্যোগ। আমরা চাই শিশুরা অবসর সময়ে মোবাইলে আসক্ত না হয়ে বইয়ের জগতে ডুবে থাকুক। ছোটবেলা থেকেই যদি তাদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা যায়, তাহলে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা নিয়মিত পাঠাভ্যাসে পরিণত হবে।’
নাজিউল্লাহ ভূঁইয়া আরও বলেছেন, ‘আমরা শতাধিক বই দিয়ে পাঠাগারটির যাত্রা শুরু করেছি। এখানেই আমাদের কার্যক্রম শেষ নয়। শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিয়মিত পাঠচক্রের আয়োজন করা হবে, যাতে তারা বই পড়ে নিজেদের ভাবনা প্রকাশ করতে পারে ও পড়ার প্রতি আরও আগ্রহী হয়ে ওঠে।’
"আমাদের স্কুলে আগে কোনো পাঠাগার ছিল না। এখন আমরা অনেক ধরনের বই পড়তে পারব। আমি চাই আমাদের স্কুলের সব বন্ধুই বই পড়ুক।"
"বই পড়লে অনেক কিছু শেখা যায়। আগে স্কুলে বই পড়ার জন্য আলাদা জায়গা ছিল না। এখন পাঠাগার হয়েছে, আমরা স্কুলেই বিভিন্ন বই পড়তে পারব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার কেরানীগঞ্জ, ৯৩ নম্বর সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজিউল্লাহ ভূঁইয়া (বন্ধুসভার সভাপতি), আফিয়া হোসেন (চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী), সাজ্জাদ হোসেন (পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী), লিটন হোসেন (সহকারী শিক্ষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৩ (স্কুলের নম্বর), ২৪ (অক্টোবর), ২৮ (প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!