📌 চামড়া শিল্পকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ফিরিয়ে আনতে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ট্যানারি সংস্কার, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ ও আন্তর্জাতিক মান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে
দেশের চামড়া শিল্পকে বৈশ্বিক মান ও প্রতিযোগিতায় ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক নীতি সংলাপে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চামড়া শিল্পকে বৈশ্বিক বাজারে ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার
- 📌 হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নে দুর্বলতা স্বীকার করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- 📌 ট্যানারি খাতে শতভাগ কমপ্লায়েন্স ও এলডব্লিউজি সনদ অর্জন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা
- 📌 সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নতুন ইটিপি স্থাপনের উদ্যোগ
- 📌 ২০২৭ সালের মধ্যে সাভারে দক্ষতা ও ডিজাইন উন্নয়ন কেন্দ্র চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
📰 বিস্তারিত
চামড়া শিল্পকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ফিরিয়ে আনতে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের চামড়া খাতকে এগিয়ে নেওয়া: চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও সংস্কার’ শীর্ষক নীতি সংলাপে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সঠিক হলেও এর বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে শিল্পটি ক্ষতির মুখে পড়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন বিনিয়োগ করেও যারা বর্তমানে নতুন বিনিয়োগে আগ্রহী বা সক্ষম নন, তাদের জন্য ‘গ্রেসফুল এক্সিট’-এর সুযোগ তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য খাতে জায়গা তৈরি হবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ট্যানারি ব্যবসায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) সনদ অর্জন বাধ্যতামূলক করা হবে।
কাঁচা চামড়া রপ্তানির পরিবর্তে দেশে প্রক্রিয়াজাত করে জুতা, ব্যাগ ও উচ্চমূল্যের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ লেদার’ ব্র্যান্ড গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। চামড়া শিল্পের অন্যতম বড় সমস্যা সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) নিয়ে মন্ত্রী বলেন, নতুন বিশ্বমানের সিইটিপি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান সিইটিপি সংস্কারের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
বর্তমানে প্রকল্পিত ২৫ হাজার ঘনমিটার সক্ষমতার বিপরীতে কার্যকরভাবে ১৪ থেকে ১৫ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য শোধন করা সম্ভব হচ্ছে। বড় ট্যানারিগুলোর জন্য নিজস্ব ইটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ছোট ট্যানারিগুলো কেন্দ্রীয় সিইটিপি ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে শতভাগ কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাখালী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ হাজার ঘনমিটার (প্রকল্পিত সিইটিপি সক্ষমতা), ১৪-১৫ হাজার ঘনমিটার (কার্যকর সক্ষমতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!