📌 গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে শিক্ষার্থীরা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে। তারা দাবি করেছেন পুলিশের হামলায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত ও বিচার হবে, না হলে কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।
গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে শিক্ষার্থীরা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে। তারা দাবি করেছেন, পুলিশের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের বিচার ও অধ্যক্ষের পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত সব প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশি হামলার তদন্ত ও বিচারের দাবি তুলেছে
- 📌 অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ: শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলায় ৫ জন আহত, তাদের মধ্যে কেউ কেউ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে
- 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, অধ্যক্ষের পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত কলেজের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা হবে
- 📌 অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠান সময়মত শেষ করতে পারেনি
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর আজিমপুরে অবস্থিত গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের শিক্ষার্থীরা শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি তুলে ধরেছেন। তারা বলেছেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এই ঘটনার তদন্ত ও বিচারের দাবিতে তারা প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। নইলে তারা কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারী দিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তামান্না ইসলাম দাবিগুলো তুলে ধরেন। প্রথমত, পুলিশের হামলায় জড়িত সদস্যদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে এবং তার পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত কলেজের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে। এতে তাদের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে পুলিশের দাবি, ক্যাম্পাসে শুধুমাত্র অধ্যক্ষকে উদ্ধারের জন্য নারী পুলিশ সদস্যরা গিয়েছিলেন এবং কোনো হামলা হয়নি।
"অধ্যক্ষ একটা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের দুই ছাত্রীর সিট বাতিল করেছে। ঘটনা হচ্ছে, দুর্গাপূজার আগে একটা অনুষ্ঠান হয় কলেজ অডিটোরিয়ামে। সেখানে আমরা অনুষ্ঠান সময়মত শেষ করতে পারিনি। তাই তিনি আমাদের দুজন শিক্ষার্থীর সিট বাতিল করেন। পরে আমরা মাফ চাইলে অধ্যক্ষ আমাদের কাছে সাড়ে ১২ হাজার টাকা অডিটোরিয়ামের বিল দিতে বলেন। আমরা তো শিক্ষার্থী এত টাকা কোথা থেকে দেব? এ জন্য আজকে আন্দোলন করেছি। রাতে তিনি আমাদের পুলিশ এনে পিটিয়েছেন।"
অধ্যাপক মেহেরুন নেছা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “শিক্ষার্থীরা মিথ্যাচার করছে। তারা ১০টার প্রোগ্রাম ভোর ৫টায় শেষ করেছে। এ জন্য তাদেরকে শাস্তি দিয়েছি। তবে তারা যখন মাফ চেয়েছে, আমি তাদের ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছি। কিন্তু কলেজের তো কিছু নিয়ম আছে। তারা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছে, তার বিল তো দিতে হবে। আমার অপরাধ কোথায় বলেন?”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স, আজিমপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছা, শিক্ষার্থী তামান্না ইসলাম, শিক্ষার্থী শম্পা আখতার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ ঘণ্টা (আল্টিমেটাম), ১২:৩০ (সংবাদ সম্মেলনের সময়), ২:১০ (বিক্ষোভের সময়), ১০:০০ (প্রোগ্রামের সময়), ৫:০০ (প্রোগ্রাম শেষের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!