📌 শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ পরিচালনা করবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত নবীনবরণে তিনি শিক্ষার্থীদেরকে AI, রোবটিক্স ও প্রযুক্তি দক্ষতা অর্জনে আহ্বান জানান
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বলেছেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ পরিচালনা করবে। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে মেধা, দক্ষতা ও প্রযুক্তি দক্ষতা অর্জনে আগ্রহী হতে আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠানে প্রায় ২ হাজার ১০০ জন নবীন শিক্ষার্থীকে বরণ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী বাংলাদেশ পরিচালনা করবে
- 📌 শিক্ষার্থীদেরকে AI, রোবটিক্স ও আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ নিতে বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী
- 📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রায় ২ হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থীকে বরণ করা হয়
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষার্থীদেরকে শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও বহুমাত্রিক দক্ষতা বিকাশে জোর দিতে হবে
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিসুর রহমান তালুকদার খোকনসহ বিভিন্ন শিক্ষাবিদ
📰 বিস্তারিত
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের তরুণ প্রজন্মই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। নবীন শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগাতে হবে।’ তিনি শিক্ষার্থীদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শুধু পাঠ্যবিষয় আত্মস্থ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন ও উদ্ভাবনের প্রতি জোর দিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে কারিগরি শিক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবটিক্স ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও কর্মজীবনের প্রস্তুতি একই সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবসম্পদ। এই মেধাবী তরুণদের যথাযথ শিক্ষা ও দক্ষতায় গড়ে তুলতে পারলে তারা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।’
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেদেরই গড়ে তুলতে হবে। শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের উৎকৃষ্ট মানবসম্পদ হিসেবে প্রস্তুত করতে হবে। একই সঙ্গে খেলাধুলা, বিতর্ক, সংস্কৃতি ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বহুমাত্রিক দক্ষতা বিকশিত করতে হবে।’ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত ও যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা জরুরি। প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের AI ও আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করতে হবে।’
"দেশের তরুণ প্রজন্মই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। নবীন শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শুধু পাঠ্যবিষয় আত্মস্থ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন, উদ্ভাবন ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ১০০ জন নবীন শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!