📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঘুষ গ্রহণ ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্তের আদেশ

ঘুষ গ্রহণ ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্তের আদেশ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঘুষ গ্রহণ ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়

ঢাকা: ঘুষ গ্রহণ, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি এবং পলাতক থাকার অভিযোগে তিনজন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ ও বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের বিরুদ্ধে এই আদেশ জারি করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে রাজশাহী মহানগর পুলিশের সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রোকনুজ্জামানকে চাকরি থেকে অপসারণ
  • 📌 কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী স্ত্রীর কাছে চলে যাওয়ার অভিযোগে পুলিশ স্টাফ কলেজের এএসপি মো. হাবিবুল্লাহ দালালকে বরখাস্ত
  • 📌 কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রাশেদুল ইসলামকে বরখাস্ত
  • 📌 তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত

📰 বিস্তারিত

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃখলা-২ শাখা থেকে জারি করা তিনটি প্রজ্ঞাপনে তিনজন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ ও বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা হলেন— রাজশাহী মহানগর পুলিশের সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, পুলিশ স্টাফ কলেজের এএসপি মো. হাবিবুল্লাহ দালাল এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম।

মোহাম্মদ রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি রাজশাহী মহানগর পুলিশে কর্মরত থাকাকালীন জনৈক কামরুজ্জামানকে পুলিশের এসআই পদে নিয়োগ দেওয়ার শর্তে ১৭ লাখ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে তিনি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের একটি হিসাবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বিকাশের মাধ্যমে আরও ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। সব মিলিয়ে তিনি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে কামরুজ্জামানের চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরতের জন্য চাপ দেওয়া হলে তিনি ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে মোট ৫ লাখ ৫২ হাজার ১৬৩ টাকা ফেরত দেন।

অন্যদিকে, মো. হাবিবুল্লাহ দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ভোগের পর কর্মস্থলে যোগ দেননি। সরকারি অনুমতি ছাড়াই তিনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী স্ত্রীর কাছে চলে যান। তার অননুমোদিত অনুপস্থিতি ৬০ দিনের বেশি হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এছাড়া, মো. রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার স্থায়ী ঠিকানায় একাধিকবার নোটিশ এবং ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ ও ই-মেইলে চিঠি পাঠানো হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। তার অননুমোদিত অনুপস্থিতি ৬০ দিনের বেশি হওয়ায় তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

"ঘুষ গ্রহণ ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিনজন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এই আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, মো. হাবিবুল্লাহ দালাল, মো. রাশেদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন কর্মকর্তা, ৫ লাখ ৫২ হাজার ১৬৩ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖