📌 ভারতের বেঙ্গালুরুতে দুই উদ্যোক্তা ক্লাউড কিচেন ব্যবসায় ৪ লাখ রুপি লোকসানের পর নতুন ফ্রাইড ফুড ব্র্যান্ড 'ক্রিয়েড' প্রতিষ্ঠা করেন। মাত্র ১০ মাসে তাঁরা প্রায় ২ কোটি রুপি আয় করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সফল বিপণন কৌশলই তাঁদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি
ভারতের বেঙ্গালুরুতে দুই উদ্যোক্তা কুশল রেড্ডি ও চাহাক জৈন তাঁদের ব্যবসায়িক যাত্রায় ব্যর্থতার পর নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। মাত্র ৪ লাখ রুপি বিনিয়োগে শুরু করা ক্লাউড কিচেন ব্যবসাটি ব্যর্থ হওয়ার পর তাঁরা প্রতিষ্ঠা করেন 'ক্রিয়েড' নামে একটি ফ্রাইড ফুড ব্র্যান্ড। মাত্র ১০ মাসের মধ্যে এই ব্র্যান্ডটি প্রায় ২ কোটি রুপি আয় করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের বেঙ্গালুরুতে দুই উদ্যোক্তা কুশল রেড্ডি ও চাহাক জৈন ক্লাউড কিচেন ব্যবসায় ৪ লাখ রুপি লোকসান করেন
- 📌 ব্যর্থতার পর তাঁরা প্রতিষ্ঠা করেন 'ক্রিয়েড' নামে ফ্রাইড ফুড ব্র্যান্ড
- 📌 মাত্র ১০ মাসে প্রতিষ্ঠানটির আয় প্রায় ২ কোটি রুপি
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপণন কৌশলের মাধ্যমে ব্যবসায় সাফল্য আসে
- 📌 বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩৫০ থেকে ৪৫০ জন ক্রেতাকে খাবার পরিবেশন করছে 'ক্রিয়েড'
📰 বিস্তারিত
ভারতের বেঙ্গালুরু শহরে দুই উদ্যোক্তা কুশল রেড্ডি ও চাহাক জৈন তাঁদের ব্যবসায়িক যাত্রায় এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। তাঁরা প্রথমে ক্লাউড কিচেন ব্যবসা শুরু করেন, যেখানে শুধুমাত্র অনলাইন অর্ডারের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হতো। তবে পর্যাপ্ত অর্ডার না পাওয়ায় তাঁদের ব্যবসাটি ব্যর্থ হয়। এরপর তাঁরা ব্যবসার ধরন পরিবর্তন করে প্রতিষ্ঠা করেন 'ক্রিয়েড' নামে একটি ফ্রাইড ফুড ব্র্যান্ড।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বেঙ্গালুরুর জেপি নগরে একটি ফুড ট্রাকের মাধ্যমে 'ক্রিয়েড' যাত্রা শুরু করে। ব্যবসা শুরুর প্রথম দিনেই ১০০ জনের বেশি ক্রেতা উপস্থিত হন। প্রথম তিন দিনে বিক্রি হয় প্রায় ৩০ হাজার রুপি। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩৫০ থেকে ৪৫০ জন ক্রেতাকে খাবার পরিবেশন করছে প্রতিষ্ঠানটি। দৈনিক বিক্রির পরিমাণ প্রায় ১ লাখ রুপি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপণন কৌশলের মাধ্যমে 'ক্রিয়েড' দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। প্রতিষ্ঠানটির ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা প্রথমবার বার্গার বিক্রির আগেই ৫ হাজার ছাড়িয়ে যায়। উদ্যোক্তা চাহাক জৈন নিয়মিত ভিডিও ও পোস্টের মাধ্যমে ব্যবসার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে থাকেন, যা সম্ভাব্য ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করে।
"শুধু খাবারের মান ভালো হলেই ব্যবসা সফল করা কঠিন। অনলাইন ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মগুলোর উচ্চ কমিশন, বিজ্ঞাপন ব্যয় এবং সরাসরি অর্ডারের অভাব তাঁদের ব্যবসায় চাপ তৈরি করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতের বেঙ্গালুরু
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কুশল রেড্ডি ও চাহাক জৈন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ রুপি, ২ কোটি রুপি, ৫ হাজার অনুসারী, ৩৫০-৪৫০ জন ক্রেতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!