📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিব সাময়িক বরখাস্তের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন। আদালত প্রশাসনকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলেছেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবের সাময়িক বরখাস্তের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রিটের শুনানি করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২৪ জুন অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত জানায়
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অভিযোগ: আর্থিক দুর্নীতি, একাডেমিক অনিয়ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন
- 📌 অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব আদালতে রিট দাখিল করে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণার দাবি জানান
- 📌 আদালত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেন
📰 বিস্তারিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ মামলার শুনানি করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী নিগার সুলতানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিদুল ইসলাম জনি ও শিহাব উদ্দিন খান।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিহাব উদ্দিন খান জানান, অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়ে ২৪ জুন যে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে আদালত রুল জারি করেছেন। আদালত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ২৪ জুন এক চিঠির মাধ্যমে অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া একাডেমিক কমিটির সদস্যরা তাঁর সঙ্গে কাজ করতে অপারগতা প্রকাশ করায় সিন্ডিকেট ২২ জুন থেকে তাঁকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়।
"অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, একাডেমিক কার্যক্রমবহির্ভূত কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিব, বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল, বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ (জুন), ২২ (জুন), ৫৪ (ক্রমিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!