📌 দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহায়ক কর্মচারী আনোয়ার হোসেন ৯১ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা ২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা কলেজে জমা না দিয়ে লাপাত্তা হয়ে যান। এতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার প্রবেশপত্র পেতে এবং পরীক্ষায় অংশ নিতে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছেন
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের ৯১ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য সংগ্রহ করা অর্থের আত্মসাতের অভিযোগে সহায়ক কর্মচারী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। ২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা কলেজের হিসাবে জমা না দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের ৯১ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা ২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা কলেজে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 সহায়ক কর্মচারী আনোয়ার হোসেন গত ৪ আগস্ট থেকে কলেজে অনুপস্থিত রয়েছেন এবং টাকা ফেরত দেননি।
- 📌 শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, কারণ তাদের পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
- 📌 অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আনোয়ার হোসেনের দায়িত্বে থাকা গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
- 📌 ফুলবাড়ী থানার কর্মকর্তারা অভিযুক্তের পরিবারের সাথে কথা বলেছেন, কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।
📰 বিস্তারিত
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান শামীম আকতার গত ১২ আগস্ট ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য সংগ্রহ করা অর্থের আত্মসাত এবং গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্রের অনিয়ম বা অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, আনোয়ার হোসেন ৯১ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৪ হাজার ৯৩৯ টাকা করে মোট ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৯ টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা কলেজের হিসাবে জমা না দিয়ে নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে ওই অর্থ কলেজের হিসাবে জমা দেওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, কারণ তাদের পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। শিক্ষার্থীরা জানান, টাকা দিয়ে তারা পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছেন, কিন্তু টাকা জমা না হওয়ায় প্রবেশপত্র পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
"২০২৫ সালের দ্বিতীয় বর্ষ অনার্স পরীক্ষার ফরম ফিল-আপ বাবদ সংগৃহীত অর্থ আত্মসাৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাগজপত্রের অনিয়ম/অপব্যবহারের আশঙ্কা"
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আনোয়ার হোসেনের অনুপস্থিতিতে কলেজের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়াও, তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি এবং কলেজে উপস্থিত হননি। ফুলবাড়ী থানার এসআই আব্দুল মান্নান বলেছেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে কালক্ষেপণ করলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহসান হাবীব বলেছেন, আনোয়ারের শ্বশুর রশিদ মিয়া তাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে, জামাতা টাকা ফেরত দেবেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত আনোয়ার কলেজে উপস্থিত হননি বা টাকা ফেরত দেননি। তাই কলেজ প্রশাসন বাধ্য হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফুলবাড়ী, দিনাজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ার হোসেন, শামীম আকতার, আহসান হাবীব, আব্দুল মান্নান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯১ শিক্ষার্থী, ২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা, ৪ হাজার ৯৩৯ টাকা প্রতি শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!