📌 চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে সিগারেট বিক্রির দোকান রয়েছে। আইন অনুযায়ী ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও শিক্ষার্থীরা ধূমপানে জড়িয়ে পড়ছে। জেলা প্রশাসক বলেছেন, তদারকিতে জনবল সংকট রয়েছে
চুয়াডাঙ্গা শহরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে সিগারেট বিক্রির দোকানগুলো শিক্ষার্থীদের ধূমপানে জড়িয়ে পড়ছে। আইন অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও এ নিয়ম মানা হচ্ছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের ধূমপানের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়াডাঙ্গা শহরের ৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে সিগারেট বিক্রির দোকান রয়েছে — ভিক্টোরিয়া জুবিলি উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা একাডেমি, রেলবাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়, আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ।
- 📌 শিক্ষার্থীদের কাছে সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলেও দোকানগুলোতে অবাধে বিক্রি চলছে। দোকানটি মালিক শুকুর আলী বলেছেন, ‘৩০০ টাকা জরিমানা পেলেও আমি সিগারেট বিক্রি করছি। সংসার চলবে কী করে?’
- 📌 ২০২৬ সালের আইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।
- 📌 ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের কাছে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ। অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে বিক্রি করলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।
- 📌 জেলা প্রশাসক বলেছেন, ‘তদারকিতে জনবল ও কর্মকর্তা সংকট রয়েছে। তদারকি কমিটি গঠনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।’
📰 বিস্তারিত
চুয়াডাঙ্গা শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে সিগারেট বিক্রির দোকানগুলো শিক্ষার্থীদের ধূমপানে জড়িয়ে পড়ছে। আইন অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও এ নিয়ম মানা হচ্ছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের ধূমপানের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটকের বিপরীত পাশের একটি দোকানে শিক্ষার্থীদের কাছে সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলেও বিক্রি চলছে। দোকানটি মালিক শুকুর আলী বলেছেন, ‘আমি তো চায়ের দোকান করি। সিগারেট বিক্রি না করলে সংসার চলবে কী করে? ম্যাজিস্ট্রেট ৩০০ টাকা জরিমানা দিয়েছেন, কিন্তু আমি সিগারেট বিক্রি করছি।’
চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর থেকে কিছুটা দূরে সিগারেট বিক্রির দোকান রয়েছে। শিক্ষার্থীদের চলাচলের পথের কাছাকাছি এসব দোকানে অবাধে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা একাডেমি ও রেলবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশপাশেও একই চিত্র দেখা গেছে। চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সামনে ভ্রাম্যমাণ দোকানে বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করতে দেখা যায়। দোকানগুলোর ক্রেতাদের মধ্যে কলেজের শিক্ষার্থীরাও রয়েছে।
২০২৬ সালের আইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের কাছে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ। অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে বিক্রি করলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।
"আমি তো চায়ের দোকান করি। সিগারেট বিক্রি না করলে সংসার চলবে কী করে? ম্যাজিস্ট্রেট ৩০০ টাকা জরিমানা দিয়েছেন, কিন্তু আমি সিগারেট বিক্রি করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চুয়াডাঙ্গা শহর (ভিক্টোরিয়া জুবিলি উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা একাডেমি, রেলবাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়, আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি কলেজ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শুকুর আলী (দোকান মালিক), চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ মিটার (নিষিদ্ধ এলাকা), ৩০০ টাকা (জরিমানা), ৫ হাজার টাকা (সর্বোচ্চ জরিমানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!