📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত গুমের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে ঐক্য ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দেশের অতীত সরকারের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ তুলে ধরে নতুন আইনি কাঠামো প্রণয়নের ঘোষণা দেন
ঢাকায় আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুম হওয়া ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে ঐক্য ও সংহতির আহ্বান জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ভিক্টিমস ফার্স্ট, অ্যাকশন্স নাউ’
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন
- 📌 বাংলাদেশের অতীত সরকারের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার দমনে গোপন বন্দিশালা তৈরি করা হয়েছিল
- 📌 দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী কমপক্ষে সাত শতাধিক মানুষকে গুম করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন
- 📌 বর্তমান সরকার গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেককে জাগ্রত রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রাষ্ট্র বা সরকার কর্তৃক পরিচালিত গুম বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটে।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অতীত সরকার গণতান্ত্রিক অধিকার দমনের জন্য গুম ও অপহরণের পথ বেছে নিয়েছিল। তিনি বলেন, গোপন বন্দিশালাগুলো জনপরিসরে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পেয়েছিল। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, কমপক্ষে সাত শতাধিক মানুষকে বিভিন্ন সময়ে গুম করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বর্তমান সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে গুম প্রতিরোধে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।
গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম শুধু ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া নয়; এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার মৃত্যু। স্বজনদের দিন কাটে অনিশ্চয়তার মধ্যে। তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট চক্রের পতনের পর কিছু মানুষ ফিরে এলেও ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমের মতো অসংখ্য মানুষের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।
"আইসিসির রোম সনদের ৭(২) অনুচ্ছেদে গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। গুমের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাত শতাধিক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!