📌 বাগেরহাটের রামপালে বেড়িবাঁধ ভেঙে শতাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী দ্রুত সংস্কার ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। সরকারি ত্রাণ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা দাবি করা হয়েছে
বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার কৈগরদাশকাঠির লিটুর চরে বেড়িবাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা বাঁধটি সংস্কার না হওয়ায় এই বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাগেরহাটের রামপালের লিটুর চরে বেড়িবাঁধ ভেঙে শতাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত
- 📌 জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি ও মৎস্যঘের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী দাবি করেছেন প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে
- 📌 মানববন্ধনে অংশ নিয়ে দ্রুত বাঁধ সংস্কার ও টেকসই পুনর্নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার কৈগরদাশকাঠির লিটুর চরের বেড়িবাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হন। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ১২টায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী টেকসই বাঁধ পুনর্নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড়ের বেড়িবাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও সময়মতো সংস্কার করা হয়নি। ফলে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, প্লাবিত এলাকায় অনেক পরিবারের রান্নাঘরে পানি উঠে যাওয়ায় রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে গেছে। খাবার ও সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। তীব্র জোয়ারের পানিতে আমন চাষ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত বাঁধ সংস্কার করা না হলে দুই শতাধিক একর জমির আমন চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ধানের চারা পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে কৃষকদের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যঘেরগুলোও পানিতে ডুবে যাওয়ায় ঘের মালিকদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
‘আমাদের দাবি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সহায়তা প্রদান এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে হবে।’ — মো. মুজিবর রহমান জোয়ার্দার, গৌরম্ভা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রামপাল, বাগেরহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মুজিবর রহমান জোয়ার্দার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!