📌 বরগুনা বেতাগীতে বখাটের মারধরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে। মেয়েটিকে মারধরকারী ফয়সালের (২৩) মা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ফয়সালের গ্রেপ্তারি চলছে। আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং মা মামলা করেছেন।
বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায় বখাটের মারধরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর মুখের তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে। গতকাল সোমবার বিকেলে গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে এই ঘটনা ঘটে। আহত ছাত্রীকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তার মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ মামলার দুই ও তিন নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে, আর প্রধান আসামি ফয়সালের (২৩) গ্রেপ্তারি চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরগুনা বেতাগীতে বখাটের মারধরে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে
- 📌 আহত ছাত্রীকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে
- 📌 মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের (২৩) বাড়ি স্কুলের পাশে গাবতলী গ্রামে
- 📌 মামলার দুই ও তিন নম্বর আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে, ফয়সালের গ্রেপ্তারি চলছে
- 📌 মেয়েটির মা বলেছেন, ফয়সালের ভয়ে সকালে মেয়েকে ঘরে রেখেছিলেন
📰 বিস্তারিত
গতকাল সোমবার বিকেল চারটার দিকে গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে এই ঘটনা ঘটে। আহত ছাত্রীকে শিক্ষক ও স্বজনরা উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে ছাত্রী স্কুলের ওয়াশরুমে গেলে ফয়সাল সেখানে উঁকি দেন। এরপর সে ঘটনাটি স্বজনদের জানায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ হয়ে মেয়েটিকে মারধরের হুমকি দেন ফয়সাল। এতে ভয়ে গতকাল সোমবার মেয়েটিকে বিদ্যালয়ে পাঠাননি তার মা। পরে একজন শিক্ষক তাকে স্কুলে নিয়ে আসেন। বিদ্যালয় ছুটির পর ফয়সাল ছাত্রীকে মারধর শুরু করেন। এতে ছাত্রীর মুখের সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায় এবং আরও দুটি দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের বাড়ি স্কুলের পাশে গাবতলী গ্রামে। পুলিশ তাঁর মা ও ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা দুজন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ননী গোপাল মালাকার বলেছেন, ‘ফয়সালের বাড়ি স্কুলের কাছাকাছি। স্কুল চলাকালীন সে আশপাশে লাঠিসহ ঘোরাঘুরি করেছে। ছুটির পর সে স্কুলের বাউন্ডারিতেই ছাত্রীকে মারধর শুরু করে। আমরা স্কুল বন্ধ করেছিলাম এবং পরে পুলিশকে খবর দিই।’
বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। মামলার দুই ও তিন নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। ফয়সালকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
"ফয়সালের ভয়ে সকালে আমার মেয়েকে ঘরে রেখেছিলাম। আমিও পালিয়ে থেকেছি। পরে একজন শিক্ষক এসে তাকে স্কুলে নিয়ে যায়। স্কুল ছুটির পর ফয়সাল আমার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রথমে হাত ধরে টানাটানি শুরু করে। এতে রাজি না হলে সে চড় ও লাথি দিতে শুরু করে। মুখে লাথি দেওয়ায় আমার মেয়ের তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরগুনা বেতাগী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়সাল (২৩), আহত ছাত্রী, তার মা, হারুন অর রশিদ (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি দাঁত ভেঙে গেছে, ২টি দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত, ২৩ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!