📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের তহবিল থেকে উত্তোলিত ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার হিসাব এখনো জমা দেননি সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার। উত্তোলিত অর্থের প্রায় ৭৭ শতাংশেরই হিসাব মেলেনি বলে জানা গেছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার মোট ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে মাত্র ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা দিয়েছেন তিনি। বাকি ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার হিসাব এখনো জমা হয়নি। উত্তোলিত অর্থের প্রায় ৭৭ শতাংশেরই হিসাব মেলেনি বলে রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের নথি বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাকসু তহবিল থেকে উত্তোলিত হয়েছে ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা
- 📌 উত্তোলিত অর্থের মধ্যে ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা হয়েছে
- 📌 বাকি ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার হিসাব এখনো জমা হয়নি
- 📌 উত্তোলিত অর্থের প্রায় ৭৭ শতাংশের হিসাব মেলেনি
- 📌 উত্তোলিত অর্থের মধ্যে রয়েছে ভর্তি পরীক্ষার বুথ স্থাপন, সদস্যদের বাজেট ও দাপ্তরিক খরচ
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার মোট ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে মাত্র ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা দিয়েছেন তিনি। বাকি ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার হিসাব এখনো জমা হয়নি। উত্তোলিত অর্থের প্রায় ৭৭ শতাংশেরই হিসাব মেলেনি বলে রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের নথি বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
রাকসুর তহবিল থেকে উত্তোলিত অর্থের মধ্যে রয়েছে গত বছরের জানুয়ারিতে ভর্তি পরীক্ষার বুথ স্থাপনের জন্য ৩ লাখ ২ হাজার টাকা, জানুয়ারি মাসের সদস্যদের বাজেট বাবদ ১৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা এবং এপ্রিল মাসে সদস্যদের দাপ্তরিক খরচের জন্য ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এই তিন ধাপে উত্তোলিত মোট ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার এখনো জমা হয়নি।
বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়ে সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার বুথ স্থাপনের সময় ব্যয়ের সঙ্গে ভ্যাট যোগ করার বিষয়টি জানা ছিল না। ফলে ৩ লাখ টাকার হিসাব সমন্বয় করে বিল করতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। সদস্যদের জন্য নেওয়া ১৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদকের হিসাব না আসায় সেটি জমা দেওয়া হয়নি।’
রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান বলেন, ‘যেকোনো কর্মসূচি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিল-ভাউচার জমা দেওয়া উচিত। রাকসুর কিছু বিল-ভাউচার এখনো জমা হয়নি। আমরা তাদের সঠিক নিয়মে জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছি।’
রাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘যেকোনো কর্মসূচি আয়োজন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিল-ভাউচারসহ আর্থিক হিসাব জমা দেওয়া উচিত। রাকসুকেও এই প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে।’
‘ভর্তি পরীক্ষার বুথ স্থাপনের সময় তাদের সেটি প্রথম দিকের বাজেট ছিল। তখন ব্যয়ের সঙ্গে ভ্যাট যোগ করার বিষয়টি জানা ছিল না। ফলে ৩ লাখ টাকার হিসাব সমন্বয় করে বিল করতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে।’ — সালাউদ্দিন আম্মার, জিএস, রাকসু
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাউদ্দিন আম্মার (রাকসু জিএস), অধ্যাপক সেতাউর রহমান (কোষাধ্যক্ষ), অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম (রাকসু সভাপতি ও উপাচার্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা (উত্তোলিত), ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকা (জমা), ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকা (বাকি), ৭৭ শতাংশ (হিসাবহীন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!