📌 গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের পদত্যাগ ও মধ্যরাতের পুলিশি হামলার তদন্তের দাবিতে প্রেস ব্রিফিং করেছেন। তারা দাবি করেছেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ পুলিশ ডেনি এবং আন্দোলন ছিল অহিংস
গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহেরুন্নেছা বেগমের পদত্যাগ এবং মধ্যরাতের পুলিশি হামলার তদন্তের দাবিতে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) প্রেস ব্রিফিং করেছেন। তারা দাবি করেছেন, কলেজ প্রশাসন পুলিশ ডাকেনি এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছিল সম্পূর্ণ অহিংস ও শান্তিপূর্ণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহেরুন্নেছা বেগমের পদত্যাগের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন ছিল অহিংস ও শান্তিপূর্ণ।
- 📌 শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কলেজ প্রশাসন পুলিশ ডাকেনি এবং গভীর রাতের পুলিশি হামলার বিষয়ে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল না।
- 📌 শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন, কার নির্দেশে এবং কার অনুমতিতে গভীর রাতে নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুলিশ প্রবেশ করেছিল?
- 📌 তারা দাবি করেছেন, পুলিশি হামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি চাইছে।
- 📌 শিক্ষার্থীরা জানান, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটামের দ্বিতীয় দিন চলছে এবং দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
আজ শনিবার দুপুরে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মধ্যরাতে পুলিশি হামলার ঘটনার পর তারা শুক্রবার ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলেন। অধ্যক্ষের পদত্যাগ এবং পুলিশি হামলার তদন্তের দাবিতে এই আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আজ সভায় উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক হাবিবা ইয়াসমিন জানান, তিনি অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহেরুন্নেছা বেগমের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। অধ্যক্ষ জানিয়েছেন যে, শিক্ষার্থীরা তাঁকে কোনো ধরনের শারীরিক আক্রমণ বা হেনস্তা করেননি।
সভায় উপস্থিত বিভাগীয় প্রধানদের ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে অরাজনৈতিক, অহিংস ও শান্তিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা আরও জানান, গভীর রাতে ক্যাম্পাসে পুলিশ প্রবেশের বিষয়ে কলেজ প্রশাসন আগে থেকে কিছুই জানত না। এমনকি কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুলিশকে ক্যাম্পাসে ডাকারও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলে বলেছেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ পুলিশ না ডেকে থাকলে কার নির্দেশে এবং কার অনুমতিতে গভীর রাতে একটি নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুলিশ প্রবেশ করেছিল?
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, পুলিশি হামলায় নারী শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ, শারীরিক নির্যাতন ও হেনস্তা চালানো হয়েছিল। তারা দাবি করেছেন, কোনো আইনি এখতিয়ার ও প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়া এই ঘটনা ঘটানো হলো কেন। শিক্ষার্থীরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছেন।
"আমরা জানতে চাই, কার নির্দেশে এবং কার অনুমতিতে গভীর রাতে একটি নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুলিশ প্রবেশ করেছিল? কোনো আইনি এখতিয়ার ও প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ, শারীরিক নির্যাতন ও হেনস্তা চালানো হলো কেন?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থীরা, অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহেরুন্নেছা বেগম, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক হাবিবা ইয়াসমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর (আজ), ৫ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার), ৭২ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!