📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর নিরাপত্তা চাপা: ককটেল নিক্ষেপ থেকে গালিগালাজের বিবরণ দেন মিরপুরের শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর নিরাপত্তা চাপা: ককটেল নিক্ষেপ থেকে গালিগালাজের বিবরণ দেন মিরপুরের শিক্ষার্থী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এস এম সায়েম। তিনি বাসার সামনে গালিগালাজ, বিদেশ থেকে ফোনে গালাগালি এবং ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ তুলে ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তা চান। আদালত সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এস এম সায়েম। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের মামলায় তিনি আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ ১৩তম সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হন। সাক্ষ্য দানের পর তিনি নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এস এম সায়েম (২২, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী) জুলাই আন্দোলনে মিরপুরের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ছিলেন।
  • 📌 সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে জানান, বাসার সামনে গালিগালাজ করা হয়, বিদেশ থেকে ফোনে গালাগালি করা হয় এবং দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়।
  • 📌 ককটেলের একটি ১০ ফুট দূরে পড়ে, দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।
  • 📌 ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনকে নির্দেশ দেন সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট থানাকে।
  • 📌 আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, সাক্ষী এতদিন কোনো অভিযোগ করেননি, এখন নিরাপত্তা চান।

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আজ রোববার সাক্ষী এস এম সায়েমের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। তিনি জানান, মিরপুর ২ নম্বরে তার বাসার সামনে এক ব্যক্তি বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। এছাড়া অচেনা ব্যক্তিরা মোটরসাইকেল নিয়ে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সামনে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। একটি ককটেল তার সামনে পড়ে, আরেকটি প্রায় ১০ ফুট দূরে পড়ে। দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।

সাক্ষী বলেন, বাসার সামনে লোকজন তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছে এবং বিদেশ থেকে ফোন দিয়ে গালাগালি করা হচ্ছে। ট্রাইব্যুনালের বিচারক বলেন, ‘শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। সবারই দায়িত্ব আছে। যাঁরা আইন ভঙ্গ করেছেন, তাঁদের বেঁধে ফেলার দায়িত্ব সবার।’

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদন দিয়ে সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। ট্রাইব্যুনাল জানান, সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশনা দেওয়া হবে সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

"আমি মিরপুর ২ নম্বরে থাকি। বাসার সামনে এক ব্যক্তি বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। বাসার সামনে অচেনা ব্যক্তিরা মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। একটি ককটেল আমার সামনে পড়ে, আরেকটি প্রায় ১০ ফুট দূরে পড়ে। দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এম সায়েম (সাক্ষী), মনসুরুল হক চৌধুরী (আসামিপক্ষের আইনজীবী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ (তম সাক্ষী), ২ (মিরপুর নম্বর), ১০ (ফুট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖