📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বুসান ফিল্ম স্কুলে সিনেমা শেখার পাশাপাশি জীবনের মূল্যবান পাঠ শিখলাম

বুসান ফিল্ম স্কুলে সিনেমা শেখার পাশাপাশি জীবনের মূল্যবান পাঠ শিখলাম

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ফিল্ম স্কুলে চলচ্চিত্র নির্মাণ শেখার পাশাপাশি একজন বাংলাদেশি নির্মাতা জীবনের বিভিন্ন দায়িত্ব শিখেছেন — বাসন মাজা থেকে অর্থনৈতিক হিসাব পর্যন্ত। ১২ দেশের নির্মাতাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন এবং নিজের 'লেস মিট' সিনেমার ট্রেলারও তৈরি করেছেন

দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে সিনেমা নির্মাণ শেখার স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম। কিন্তু ১৯ মার্চ ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই আট মাসের অভিজ্ঞতা আমাকে শুধু চলচ্চিত্র নির্মাতা নয়, জীবনের বিভিন্ন দায়িত্বও শেখিয়েছে — বাসন মাজা থেকে অর্থনৈতিক হিসাব পর্যন্ত। বুসান এশিয়ান ফিল্ম স্কুলের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম বিজনেস একাডেমি’ (আইএফবিএ) কোর্সে অংশগ্রহণ করে আমি বুঝতে পারলাম, সিনেমা শেখার পাশাপাশি জীবনের মূল্যবান পাঠও পেয়েছি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বুসান ফিল্ম স্কুলে বৃত্তির অধীনে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ নেওয়া ১২ দেশের নির্মাতাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন একজন বাংলাদেশি নির্মাতা।
  • 📌 ১২টি দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে পড়াশোনার সময় শিখেছেন চিত্রনাট্য, বাজেট পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক যৌথ প্রযোজনা এবং চলচ্চিত্রের বিপণন কৌশল।
  • 📌 বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে বিশ্বখ্যাত নির্মাতাদের সঙ্গে পরিচিতি ও সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি করেছেন।
  • 📌 বাসন মাজা থেকে অর্থনৈতিক হিসাব পর্যন্ত জীবনের দায়িত্ব শিখেছেন — সহপাঠীদের সঙ্গে যৌথভাবে বাজার করা, রান্না করা, খরচের হিসাব রাখা এবং ‘স্প্লিটওয়াইজ অ্যাপ’ ব্যবহার করে অর্থনৈতিক চুক্তি সম্পন্ন করা।
  • 📌 নিজের ‘লেস মিট’ সিনেমার ট্রেলার তৈরি করেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এবং বুসানের গিউমনেউসান পাহাড়ের পাশে অবস্থিত স্কুলে পড়াশোনা করেছেন।

📰 বিস্তারিত

দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে অবস্থিত বুসান এশিয়ান ফিল্ম স্কুলের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম বিজনেস একাডেমি’ (আইএফবিএ) কোর্সে অংশগ্রহণ করে আমি ১২ দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছি। এই কোর্সে টিউশন ফি থেকে শুরু করে থাকা ও যাওয়া-আসার টিকিট সবই বৃত্তির অধীনে ছিল। প্রত্যেকের সংস্কৃতি ও সিনেমা নিয়ে ভাবনার আলাদা হওয়া সত্ত্বেও, আমরা সবাই একই ভাষায় কথা বলছিলাম।

বাংলাদেশ থেকে আমার সঙ্গে আরেকজন ফেলো ছিলেন শুভ কুমার পাল। এত দেশের নির্মাতাদের সামনে দুজন বাংলাদেশি নিজেদের সমাজ, সংস্কৃতি ও সিনেমার স্বপ্ন তুলে ধরতে পেরে গর্বিত অনুভব করতাম। কোর্সে শিখেছি চিত্রনাট্য তৈরি, সিনেমার বাজেট ও আর্থিক পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক যৌথ প্রযোজনা, চলচ্চিত্রের ইতিহাস, নীতিমালা, চুক্তি এবং বিপণন। সবচেয়ে মূল্যবান ছিল অধ্যাপক জেমস ব্যাংয়ের ‘স্টোরিটেলিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজি’ ক্লাস। এই ক্লাসে শিখেছি গল্পের মূল ভাবনা থেকে শুরু করে চিত্রনাট্য, প্রকল্প প্রস্তাব, পিচ স্ক্রিপ্ট এবং প্রেজেন্টেশন তৈরির নানা কৌশল।

দুই সেমিস্টারে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্প, ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি এবং সিনেমাটোগ্রাফি সম্পর্কে প্রেজেন্টেশন দিতে হয়েছে। এ সময়ে আমি নিজের ‘লেস মিট’ সিনেমার কাজও চালিয়ে যাচ্ছিলাম — একটি ‘বডি হরর’ ঘরানার গল্প, যেখানে নারীর শরীর, সমাজের সৌন্দর্যের ধারণা এবং এক অদ্ভুত মাংসের দানবকে ঘিরে গল্পটি নির্মিত হয়েছে। শেষ সপ্তাহের ক্লাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এই সিনেমার একটি ‘প্রিভিজুয়ালাইজেশন ট্রেলার’ তৈরি করেছেন।

বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল অন্যতম মূল্যবান। সকাল সাড়ে আটটায় উঠে টিকিট কাটার প্রতিযোগিতা, একের পর এক সিনেমা দেখা, বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক এবং স্কুলের লাউঞ্জে আড্ডা — সব মিলিয়ে দিনগুলো অত্যন্ত সফল হয়েছে। বিশ্বখ্যাত নির্মাতা, শিল্পী, সমালোচক ও প্রযোজকদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। তাঁদের আন্তরিকতা আমাকে অবাক করেছে। আমার প্রকল্পের কথা মন দিয়ে শুনেছেন, প্রশ্ন করেছেন এবং পরামর্শও দিয়েছেন। নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

রান্নাঘরেও ‘যৌথ প্রযোজনা’ স্কুলের সবচেয়ে মজার অভিজ্ঞতা ছিল। একসঙ্গে বাজার করা, রান্না করা, খাবার ভাগাভাগি এবং পাহাড়সমান বাসন মাজা — সবই শিখেছি। ফিলিপাইনের এক সহপাঠীর কাছ থেকে বেশ কিছু রান্নাও শিখেছি। অর্থনৈতিক হিসাব রাখার জন্য ‘স্প্লিটওয়াইজ অ্যাপ’ ব্যবহার করে কে কত টাকা দিল এবং কে কার কাছে কত পাবে তা হিসাব করা শিখেছি।

"বুসান ফিল্ম স্কুল আমাকে শুধু চলচ্চিত্র নির্মাতা নয়, অনেক বেশি স্বনির্ভর মানুষও বানিয়েছে। স্বাধীনভাবে বেড়ানোর আনন্দ বুসানে আমার বড় আবিষ্কারগুলোর একটি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বুসান, দক্ষিণ কোরিয়া (বুসান এশিয়ান ফিল্ম স্কুল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একজন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা (স্বয়ং লেখক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২টি দেশের নির্মাতা, ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোর্স শুরু

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖