📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩৫ কোটি টাকার নার্সিং কলেজে এক শিক্ষক নিয়ে কীভাবে পড়াচ্ছেন ২০০ শিক্ষার্থী?

৩৫ কোটি টাকার নার্সিং কলেজে এক শিক্ষক নিয়ে কীভাবে পড়াচ্ছেন ২০০ শিক্ষার্থী?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শরীয়তপুরের ডামুড্যা আলহাজ আব্দুর রাজ্জাক নার্সিং কলেজে ৩৫ কোটি টাকার ভবন নির্মাণের পরও তিন বছর বিতর্কিত অবস্থায় রয়েছে। এখনো কোনো শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় এক শিক্ষক ২০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান করছেন। সাতটি ল্যাব চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষা পাচ্ছেন

শরীয়তপুরের ডামুড্যা আলহাজ আব্দুর রাজ্জাক নার্সিং কলেজে ৩৫ কোটি টাকার বিশাল চারতলা একাডেমিক ভবন ও পাঁচতলা হোস্টেল নির্মাণের পরও তিন বছর বিতর্কিত অবস্থায় রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে চার শিক্ষাবর্ষের ২০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান করছেন শুধুমাত্র একজন শিক্ষক। নার্সিং শিক্ষায় প্রয়োজনীয় ল্যাব ও লাইব্রেরির অভাবে শিক্ষার্থীরা মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষা পাচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৫ কোটি টাকায় নির্মিত শরীয়তপুরের ডামুড্যা নার্সিং কলেজে তিন বছর পরও কোনো শিক্ষক নিয়োগ হয়নি
  • 📌 এক শিক্ষক ২০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান করছেন, যা নার্সিং শিক্ষার জন্য মারাত্মক সংকট সৃষ্টি করেছে
  • 📌 সাতটি গবেষণাগার চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষা পাচ্ছেন
  • 📌 লাইব্রেরিতে কোনো পাঠ্যবই নেই, বরং নির্বাচন কার্যালয়ের ইভিএম ফেলে রাখা হয়েছে
  • 📌 শিক্ষার্থীরা সরকারি উপবৃত্তি পাওনা হওয়ায় আর্থিক চাপে পড়ছেন

📰 বিস্তারিত

শরীয়তপুরের ডামুড্যা আলহাজ আব্দুর রাজ্জাক নার্সিং কলেজের উদ্বোধনের পর থেকে তিন বছর বিতর্কিত অবস্থায় রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে চার শিক্ষাবর্ষের ২০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান করছেন শুধুমাত্র একজন শিক্ষক। নার্সিং শিক্ষায় প্রয়োজনীয় ল্যাব ও লাইব্রেরির অভাবে শিক্ষার্থীরা মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষা পাচ্ছেন। সাতটি গবেষণাগার চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন না। লাইব্রেরিতে কোনো পাঠ্যবই নেই, বরং নির্বাচন কার্যালয়ের ইভিএম ফেলে রাখা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি উপবৃত্তি পাওনা হওয়ায় আর্থিক চাপে পড়ছেন তারা। নার্সিং পেশায় উৎকর্ষ সাধনের জন্য দেশে অনেক নার্সিং কলেজ গড়ে তোলা হয়েছে, কিন্তু এই কলেজে শিক্ষক ও ল্যাবের অভাবে শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার সময় প্রস্তুত নয়। নার্সিংয়ের মতো প্র্যাকটিক্যালনির্ভর চিকিৎসাবিদ্যায় এ ধরনের অবকাঠামো ও জনবল সংকট দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পরিকল্পনাহীনভাবে বিপুল অঙ্কের সরকারি অর্থ ব্যয় করে দালানকোঠা নির্মাণ করা এবং লোকদেখানো উদ্বোধন করার সংস্কৃতি নতুন নয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় শিক্ষক ও সরঞ্জাম ছাড়া শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় ঠেলে দেওয়া চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। তিন বছর ধরে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে চিঠি চালাচালি করেও শিক্ষক পদায়ন বা ল্যাব চালু না হওয়া আমলাতান্ত্রিক লালফিতার দৌরাত্ম্যকেই স্পষ্ট করে।

"কেবল ইট-পাথরের ভবন সাজিয়ে মানসম্মত স্বাস্থ্যশিক্ষা নিশ্চিত করা যায় না। ডামুড্যা নার্সিং কলেজের জনবলকাঠামো অবিলম্বে অনুমোদন করে স্থায়ী শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিতে হবে। পাশাপাশি সাতটি ল্যাব কার্যকর করা, ইভিএম সরিয়ে লাইব্রেরিতে বই সরবরাহ করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত উপবৃত্তি চালুর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শরীয়তপুরের ডামুড্যা আলহাজ আব্দুর রাজ্জাক নার্সিং কলেজ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থীরা, শিক্ষক, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ কোটি টাকা (ভবন নির্মাণ), ২০০ জন শিক্ষার্থী, ২০ শতাংশ শিক্ষা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖