📌 ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তি আবেদন ২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন। শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পারবেন। ভর্তি সম্পূর্ণ মেধা ও কোটা ভিত্তিতে হবে
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। এই আবেদন কার্যক্রম ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। শিক্ষার্থীদের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে। ভর্তি ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশিকাগুলো অনুসরণ করে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলছে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি আবেদন।
- 📌 ২২০ টাকা আবেদন ফি। একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পারবেন।
- 📌 ভর্তি সম্পূর্ণ মেধা ও কোটা ভিত্তিতে হবে। মোট আসনের ৭ শতাংশ কোটা এবং ৯৩ শতাংশ মেধা ভিত্তিক।
- 📌 ১২-১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পছন্দক্রম পরিবর্তন ও পুনর্মূল্যায়নের ফল দেখানো শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে।
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় ফল প্রকাশ। ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় পর্যন্ত ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে।
- 📌 ২০-২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ভর্তি কার্যক্রম। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে।
- 📌 মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির জন্য মুক্তিযোদ্ধা সনদ এবং কর্মকর্তা কোটায় দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।
📰 বিস্তারিত
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন ২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। এই আবেদন কার্যক্রম ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। শিক্ষার্থীদের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে। ভর্তি ওয়েবসাইটে দেওয়া পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা অনুসরণ করে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
ভর্তির যোগ্যতা অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফি ২২০ টাকা। আবেদন করার জন্য শিক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের বছর, নিজের সচল মোবাইল নম্বর, পছন্দের কলেজগুলোর তালিকা এবং পছন্দের বিভাগের তথ্য রাখা প্রয়োজন।
ভর্তির জন্য কোনো বাছাই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। একাদশ শ্রেণির আসনের ৭ শতাংশ কোটায় রাখা হয়েছে। কলেজগুলোর মোট আসনের বাকি ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র–কন্যা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট আসন খালি রাখা যাবে না। মেধাতালিকা থেকে ওই আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর বা সংস্থার কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই কোটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।
আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে সংশ্লিষ্ট কোটার প্রার্থীদের মধ্যেই মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। জিপিএ সমান হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বরপ্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।
"ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ, ২-১০ সেপ্টেম্বর, ২৩ সেপ্টেম্বর, ৫টি-১০টি কলেজ, ২২০ টাকা, ৭ শতাংশ কোটা, ৯৩ শতাংশ মেধা ভিত্তিক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!