📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কেন বাড়ছে?

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কেন বাড়ছে?

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরান-ইসরাইলের সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহের বিঘ্ন সত্ত্বেও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুদ্ধের কারণে পরিবহণ ব্যয় ও সরবরাহের অনিশ্চয়তা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহে বিঘ্ন সত্ত্বেও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেলের রপ্তানি বেড়েছে, কিন্তু দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বাজার বিশ্লেষকরা যুদ্ধের অবসানের কোনো লক্ষণ না দেখায় বলে উল্লেখ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে পারস্য উপসাগর থেকে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি ৪৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়েছে, যা যুদ্ধের আগের তুলনায় বেশি
  • 📌 ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গত এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ ১১৭ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা যুদ্ধের আগের তুলনায় ৬০ শতাংশের বেশি বেড়েছে
  • 📌 হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহণের ৭০ শতাংশ জাহাজ থেকে জাহাজে স্থানান্তর করা হচ্ছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি
  • 📌 তেল পরিবহণের ব্যয় ব্যারেলপ্রতি ৪০ ডলার পৌঁছেছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি
  • 📌 অক্টোবর মাসে ৩২টি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা যুদ্ধের কারণে পরিবহণের ঝুঁকি বাড়িয়েছে

📰 বিস্তারিত

ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহে বিঘ্ন সত্ত্বেও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি ৪৬ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়েছে। যুদ্ধের আগের তুলনায় এই রপ্তানি পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি সত্ত্বেও দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বাজার বিশ্লেষকরা যুদ্ধের অবসানের কোনো লক্ষণ না দেখায় বলে উল্লেখ করেছেন।

ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গত এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুদ্ধের আগের তুলনায় দাম বেড়েছে ৬০ শতাংশের বেশি। শুক্রবার ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের আগাম চুক্তির দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়ে সাময়িকভাবে প্রতি ব্যারেল ১১৭ ডলার ছাড়িয়ে যায়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী যুদ্ধে নতুন করে সংঘাত শুরুর আশঙ্কা, তেলের মজুত কমে যাওয়া এবং অঞ্চলটি থেকে তেল পরিবহণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক আদি ইমসিরোভিচ আল জাজিরাকে বলেছেন, বাজারে তাৎক্ষণিক সরবরাহের জন্য পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। কিন্তু যুদ্ধের অবসানের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রবল। তিনি বলেন, বাজারের আগাম চুক্তিতে সেই প্রত্যাশারই প্রতিফলন ঘটছে। ইমসিরোভিচ দীর্ঘদিন তেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে তেল সরবরাহ সচল রাখতে উৎপাদক ও পরিবহন প্রতিষ্ঠানগুলো নানা কৌশল নিচ্ছে। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলার আশঙ্কায় জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেছে। এতে ঝুঁকিপূর্ণ জলসীমায় কোনো একটি জাহাজকে কম দূরত্ব অতিক্রম করতে হচ্ছে। এই ব্যবস্থায় ছোট জাহাজে করে তেল হরমুজ প্রণালি পার করা হয়। ঝুঁকিমুক্ত এলাকায় পৌঁছানোর পর অপেক্ষমাণ বড় ট্যাংকারে সেই তেল তুলে দেওয়া হয়। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া অপরিশোধিত তেলের ৭০ শতাংশের বেশি এভাবে এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে স্থানান্তর করে পরিবহণ করা হয়েছে।

স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তেল পরিবহণে আকাশচুম্বী ব্যয় তেল সরবরাহ সচল রাখতে নেওয়া বিকল্প ব্যবস্থাগুলোর জন্য বড় অঙ্কের ব্যয় গুনতে হচ্ছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তেল পরিবহণের ভাড়া ব্যারেলপ্রতি ৪০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এই ব্যয় প্রায় ১০ গুণ। বীমার প্রিমিয়াম বৃদ্ধি এবং পরিবহনের নানা জটিলতার কারণে এ ব্যয় বেড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর অক্টোবর মাসে বাণিজ্যিক জাহাজে সবচেয়ে বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত এ মাসে ৩২টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

"বাজারে তাৎক্ষণিক সরবরাহের জন্য পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। কিন্তু যুদ্ধের অবসানের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রবল। বাজারের আগাম চুক্তিতে সেই প্রত্যাশারই প্রতিফলন ঘটছে"

স্পেনের মাদ্রিদের কোমিয়াস পন্টিফিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তেলবাজার বিশেষজ্ঞ ইসাবেল ফিগেরোলা-ফেরেত্তি বলেছেন, তেলের সরবরাহ সচল থাকলেও তা স্বাভাবিক বা নির্ভরযোগ্য উপায়ে হচ্ছে না। তিনি বলেন, এক ব্যারেল তেল সরবরাহের ব্যয় আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন সময়ে তেল রপ্তানি যুদ্ধপূর্ব পর্যায়ে পৌঁছানোর তথ্য পাওয়া গেলেও দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লন্ডন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আদি ইমসিরোভিচ আল জাজিরা (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক), ইসাবেল ফিগেরোলা-ফেরেত্তি (কোমিয়াস পন্টিফিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কোটি ৪৬ লাখ ব্যারেল (দৈনিক তেল রপ্তানি), ১১৭ ডলার (ব্রেন্ট ক্রুডের দাম), ৭০ শতাংশ (জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তর), ৪০ ডলার (তেল পরিবহণের ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖