📌 ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অধীনে তুরাগ নদীর ওপর নির্মিত দুই সার্ভিস সেতু আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে। সেতু দুটি টোলমুক্ত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও কোনো টোল আদায় করা হবে না। প্রকল্পের পরিচালক জানিয়েছেন, মূল উড়ালসড়কের নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অংশ হিসেবে তুরাগ নদীর ওপর নির্মিত দুই লেনের দুই সার্ভিস সেতু আগামীকাল বুধবার থেকে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই সেতু দুটি মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অংশ নয়, বরং নিচের সড়কের বিকল্প হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুই লেনের দুই সার্ভিস সেতু চালু হচ্ছে আগামীকাল বুধবার থেকে
- 📌 সেতু দুটি ধউর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত তুরাগ নদীর ওপর নির্মিত
- 📌 সেতু বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধন করবেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
- 📌 সার্ভিস সেতু দুটি টোলমুক্ত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও কোনো টোল আদায় করা হবে না
- 📌 প্রকল্পের ৭২ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত
📰 বিস্তারিত
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি চার লেনের হবে। বর্তমানে ধউর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত যে অ্যাটগ্রেড সড়ক দিয়ে যান চলাচল করছে, সেটির পরিবর্তে এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে নিচের সড়কের বিকল্প হিসেবে দুই লেনের দুটি সার্ভিস সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। একটি ধউর থেকে আশুলিয়ার দিকে এবং অন্যটি আশুলিয়া থেকে ধউরের দিকে যান চলাচল করবে। বিভিন্ন স্থানে ডিরেকশনাল র্যাম্পও থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, সার্ভিস সেতু দুটি দিয়ে সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি পথচারী, সাইকেল ও অটোরিকশাও চলাচল করতে পারবে। সার্ভিস ব্রিজ দিয়ে যান চলাচলের ব্যবস্থা করার পর এই অংশে মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ আরও এগিয়ে যাবে। প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, দেশের দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হিসেবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বিদেশি ঋণে।
২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়ালসড়ক নির্মাণে বর্তমানে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। ২০১৭ সালে অনুমোদনের সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় ২৪ কিলোমিটার উড়ালপথের পাশাপাশি প্রায় ১১ কিলোমিটার র্যাম্প, দুই লেনের নবীনগর ফ্লাইওভার, বাইপাইলে ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ, ১৪ কিলোমিটার অ্যাটগ্রেড সড়ক পুনর্নির্মাণ, দুই লেনের সেতু, ওভারপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হচ্ছে।
‘সার্ভিস সেতু দুটি টোলমুক্ত থাকবে। ভবিষ্যতেও এসব সড়কে কোনো টোল নেওয়া হবে না। সার্ভিস সেতু দিয়ে সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি পথচারী, সাইকেল ও অটোরিকশাও চলাচল করতে পারবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধউর থেকে আশুলিয়া, তুরাগ নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী), মো. শফিকুল ইসলাম (প্রকল্প পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ কিমি (এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে), ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকা (ব্যয়), ৭২ শতাংশ (সম্পন্ন কাজ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!