📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের তিতাস-২৮ কূপ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধিত হয়। এই কূপের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, গ্যাস সংকট মোকাবিলায় দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো অপরিহার্য
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের তিতাস-২৮ নম্বর কূপ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন। এই কূপের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের তিতাস-২৮ কূপের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়েছে
- 📌 উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, গ্যাস সংকট মোকাবিলায় দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো অপরিহার্য
- 📌 বর্তমানে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে প্রায় তিনগুণ অতিরিক্ত ব্যয়ে
- 📌 ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নত করার লক্ষ্যে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপের খননকাজ চলমান এবং বাখরাবাদ-১১ কূপের খনন শেষ হলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক আরও ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে
- 📌 আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ দাঁড়াবে দৈনিক সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট
- 📌 তিতাস-২৮ কূপের খনন ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা এবং গভীরতা ৩ হাজার ৬০১ মিটার
📰 বিস্তারিত
১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, গ্যাস সংকট মোকাবিলায় আমদানির পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো অপরিহার্য। তিনি জানান, বর্তমানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করতে হচ্ছে প্রায় তিনগুণ অতিরিক্ত ব্যয়ে। দীর্ঘদিন এই ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়নে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিজিএফসিএল সূত্রে জানা যায়, তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপের খননকাজ চলমান রয়েছে। এছাড়াও, বাখরাবাদ-১১ কূপের খননকাজ শেষ হলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক আরও ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে। এইভাবে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ দাঁড়াবে দৈনিক সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট।
তিতাস-২৮ কূপের খননকাজ শুরু হয়েছিল গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর। গত ১৯ জুন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। পরীক্ষামূলক সময়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। এই কূপের গভীরতা প্রায় ৩ হাজার ৬০১ মিটার এবং খনন ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
"আমদানির পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়েই চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলা করতে হবে। বর্তমানে প্রায় তিনগুণ অতিরিক্ত ব্যয়ে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন এ ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ মিলিয়ন ঘনফুট (দৈনিক গ্যাস সরবরাহ), ২০০ কোটি টাকা (খনন ব্যয়), ৩ হাজার ৬০১ মিটার (কূপের গভীরতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!