📌 মৎস্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, মানসম্মত মাছের খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও খামারিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চলেছে। মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা লেকে ২৫০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, মানসম্মত মাছের খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। তিনি জানান, নিম্নমানের ফিড উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে খামারিরা মানহীন খাদ্য ব্যবহার না করে এবং ভোক্তারা নিরাপদ মাছ পেতে পারেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৎস্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশীয় মাছ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে মাছ অবমুক্তকরণ চালাচ্ছে
- 📌 মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা লেকে ২৫০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয় — ১০০ কেজি রুই, ৭৫ কেজি কাতলা ও ৭৫ কেজি কালিবাউস
- 📌 অবমুক্ত পোনামাছের আকার ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার — মোট ২ হাজার ৫৭৫টি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়
- 📌 সরকার প্রান্তিক খামারিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও বিভিন্ন প্রণোদনা প্রদান করছে
- 📌 অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার বন্ধে খামারিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
আজ শনিবার রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানা লেকে মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজিত পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানের শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে মাছ অবমুক্তকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি জানান, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশীয় প্রজাতির মাছ টিকিয়ে রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের উৎসাহিত করতে সরকার বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। খামারিরা কৃষক কার্ডের আওতায় বিভিন্ন সুবিধার আওতায় আসবেন। সরকারি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে খামারিদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের পরামর্শ দিচ্ছেন। এতে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি অপচয় ও উৎপাদন ব্যয়ও কমছে।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, অবমুক্ত করা পোনামাছের মধ্যে রয়েছে ১০০ কেজি রুই, ৭৫ কেজি কাতলা এবং ৭৫ কেজি কালিবাউস। এসব পোনামাছের আকার ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার। মোট অবমুক্ত করা হয় প্রায় ২ হাজার ৫৭৫টি পোনামাছ — রুই প্রায় ১ হাজার ১০০টি, কাতলা প্রায় ৬০০টি এবং কালিবাউস প্রায় ৮৭৫টি।
"নিরাপদ মাছ উৎপাদনের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার বন্ধে খামারিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ কনক, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. শাহিনুর আলম, মৎস্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের পরিচালক আহসান হাসিব খান, কেন্দ্রীয় মুরগি খামারের পরিচালক জিনাত সুলতানা এবং চিড়িয়াখানার কিউরেটর মো. হাবিবুর রহমান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (মৎস্য প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত, ২ হাজার ৫৭৫টি পোনামাছ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!