📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তিতাস-২৮ কূপের উদ্বোধনে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে প্রবেশ: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

তিতাস-২৮ কূপের উদ্বোধনে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে প্রবেশ: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধনে জাতীয় গ্রিডে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়িয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাস সংকট মোকাবিলা করার পরিকল্পনা রয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জাতীয় গ্রিডে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের আনুষ্ঠানিক শুরু হয়। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন এবং এই কূপের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস-২৮ নম্বর কূপের মাধ্যমে দৈনিক ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু হয়েছে
  • 📌 কূপটির গভীরতা ৩ হাজার ৬০১ মিটার এবং খননকাজে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে
  • 📌 খননকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর এবং শেষ হয় ১৯ জুন ২০২৬
  • 📌 ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দৈনিক ১ হাজার ৭৬২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করবে
  • 📌 বর্তমানে গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ এমএমসিএফডি, কিন্তু সরবরাহ কমে ২ হাজার ৩৫০ এমএমসিএফডিতে নেমেছে
  • 📌 চীনা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খননকাজ সম্পন্ন হয়

📰 বিস্তারিত

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উদ্বোধনকালে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র তিন মাসের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে এই গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গ্যাসের আমদানি ব্যয় বাড়ছে এবং দীর্ঘদিন এভাবে অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। তাই দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিতাস-২৮ কূপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হক, অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) মো. রফিকুল আলম এবং প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তিতাস-২৮, তিতাস-২৯, তিতাস-৩০ ও তিতাস-৩১ নম্বর কূপের খননকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। জ্বালানি খাতে দেশীয় উৎস থেকে সম্মিলিতভাবে ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল থেকে ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুটসহ মোট ৩ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সম্ভাব্য ৫ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা গেলে দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ জানান।

তিতাস-২৮ কূপের খননকাজের পরিকল্পনা ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় এবং ১৯ জুন ২০২৬ সালে শেষ হয়। গভীরতা ৩ হাজার ৬০১ মিটার এবং খননকাজে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আজ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ায় শিল্পকারখানার চাকা সচল হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতি গতিশীল হবে।’

"আমদানির পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়ে চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলা করতে হবে। বর্তমানে প্রায় তিন গুণ বেশি ব্যয়ে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন এভাবে অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস, ৩ হাজার ৬০১ মিটার গভীরতা, ২০০ কোটি টাকা ব্যয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖