📌 সৈয়দপুরের এক টিন ব্যবসায়ী থেকে বিশ্ববাজারে পাটপণ্য রপ্তানিতে বিপ্লব ঘটিয়েছেন সুশীল কুমার দাস। তাঁর প্রতিষ্ঠান ‘রানু অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ বছরে ২০০ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি চাঙা হয়ে উঠেছে তাঁর উদ্যোগে
উত্তরবঙ্গের সৈয়দপুরে এক সময় সাধারণ টিনের ব্যবসা করতেন সুশীল কুমার দাস। মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি গড়ে তুলেছেন ‘রানু অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’, যার মাধ্যমে বছরে ২০০ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে উৎপাদিত পরিবেশবান্ধব পাটপণ্য এখন বিশ্বের ৩০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুশীল কুমার দাসের প্রতিষ্ঠান ‘রানু অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ বছরে ২০০ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পাটপণ্য জাপান, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারতসহ বিশ্বের ৩০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে
- 📌 উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি চাঙা হয়ে উঠেছে এই উদ্যোগের ফলে
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে প্রায় সাত হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে
- 📌 পাটপণ্যের মান ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সৈয়দপুর রেলবাজারের এক সাধারণ টিনের দোকান থেকে ব্যবসায়িক জীবন শুরু করেছিলেন সুশীল কুমার দাস। তাঁর মা শ্যামলী রানী দাসের অনুপ্রেরণায় তিনি ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘রানু অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী পাটশিল্পকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পাটপণ্য পরিবেশবান্ধব এবং শতভাগ পচনশীল হওয়ায় বিশ্ববাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জাপান, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, তুরস্ক, উগান্ডা, তানজানিয়া, নাইজেরিয়া, গাম্বিয়া, ঘানা সহ বিশ্বের প্রায় ৩০টি দেশে সরাসরি রপ্তানি হচ্ছে এই পাটপণ্য।
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো ভারতে চটের বস্তা রপ্তানি শুরু করে এবং সে বছরই ৮০ হাজার ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানি ও অর্থনৈতিক সাফল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
"বিশ্ববাজারে যখন প্লাস্টিকের দাপটে পাটের অস্তিত্ব বিপন্ন, ঠিক তখনই উদ্যোক্তা সুশীল কুমার দাসের হাত ধরে সৈয়দপুরের উৎপাদিত পরিবেশবান্ধব ও শতভাগ পচনশীল পাটপণ্য রপ্তানি শুরু হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৈয়দপুর, নীলফামারী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুশীল কুমার দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি দেশ, ২০০ কোটি টাকা, ৭ হাজার কর্মসংস্থান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!