📌 জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ঘোষণা করেছে, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করদাতারা জরিমানা ছাড়া আয়কর রিটার্ন দিতে পারবেন। ১ জানুয়ারি থেকে রিটার্ন দিলে জরিমানা বাধ্যতামূলক হবে এবং অনলাইন রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করদাতাদের সতর্ক করে দিয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কর ছাড়ে আয়কর রিটার্ন দিতে পারবেন। এই সময়ের পর থেকে রিটার্ন দিলে জরিমানার মুখে পড়তে হবে। এ বছর থেকে করদাতাদের জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এনবিআরের সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর পরিশোধের পরিমাণ নির্ধারণ করবে। ফলে ১ জানুয়ারি থেকে রিটার্ন দিলে শুধু কর পরিশোধ করে সাবমিট করা যাবে না — জরিমানাও পরিশোধ করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কর ছাড়ে আয়কর রিটার্ন দিতে পারবেন। এই তারিখের পর থেকে জরিমানার শিকার হতে হবে।
- 📌 ১ জানুয়ারি থেকে রিটার্ন দিলে কর পরিশোধের পাশাপাশি ৫ শতাংশ জরিমানা বা ২৫ হাজার টাকা (যা বেশি, তা-ই) দিতে হবে।
- 📌 জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে কর পরিশোধের ৫ শতাংশ ছাড় পাবেন।
- 📌 অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে কোনো ছাড় পাবেন না — শুধু কর পরিশোধ করতে হবে।
- 📌 মার্চ-জুন মাসে রিটার্ন দিলে কর পরিশোধের ৫ শতাংশ জরিমানা বা পাঁচ হাজার টাকা (যা বেশি, তা-ই) দিতে হবে।
- 📌 বর্তমানে সোয়া এক কোটি টিআইএনধারী করদাতা রয়েছে, কিন্তু প্রতিবছর মাত্র ৫০ লাখ রিটার্ন দেন।
- 📌 কর পরিশোধের পদ্ধতি: ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ বা অন্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস।
- 📌 রিটার্ন দাখিলের পর প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ করতে হবে — ভবিষ্যতে কর নিরীক্ষায় সহায়ক হবে।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, করদাতারা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কর ছাড়ে আয়কর রিটার্ন দিতে পারবেন। এই সময়ের পর থেকে রিটার্ন দিলে কর পরিশোধের পাশাপাশি জরিমানা বাধ্যতামূলক হবে। এনবিআর করদাতাদের সতর্ক করে দিয়েছে, ১ জানুয়ারি থেকে রিটার্ন দিলে কর পরিশোধের পাশাপাশি ৫ শতাংশ জরিমানা বা সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা দিতে হবে। যাঁরা জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে রিটার্ন দিয়েছেন, তাঁরা কর পরিশোধের ৫ শতাংশ ছাড় পাবেন। তবে অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে কোনো ছাড় পাবেন না — শুধু কর পরিশোধ করতে হবে।
মার্চ-জুন মাসে রিটার্ন দিলে কর পরিশোধের ৫ শতাংশ জরিমানা বা সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে। এনবিআর করদাতাদের অনলাইন রিটার্ন দাখিলের পদ্ধতি সম্পর্কেও জানিয়েছে। কর পরিশোধের পদ্ধতি হিসেবে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ বা অন্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া, রিটার্ন দাখিলের পর প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ করতে হবে — ভবিষ্যতে কর নিরীক্ষায় সহায়ক হবে।
এনবিআর করদাতাদের অনলাইন রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদানের জন্য কল সেন্টার এবং ইলেকট্রনিক মাধ্যমের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদান করবে। তবে, ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে ঝুঁকি থাকবে।
"৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কর ছাড়ে রিটার্ন দিতে পারবেন। এই তারিখের পর থেকে জরিমানার শিকার হতে হবে। এ বছর থেকে অনলাইন রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: করদাতারা, এনবিআর কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ ডিসেম্বর, ১ জানুয়ারি, ৫০ লাখ, ৫ শতাংশ, ২৫ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!